
শেষ আপডেট: 23 September 2023 02:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই ছবিতে 'হিরো' তিনিই। পুলিশই এখানে নায়ক। শক্ত হাতে অপরাধীদের দমন করেন তিনি। বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে না গিয়ে খেল খতম করে দেন চোখের নিমেষে! আইনি ঝুটঝামেলায় না গিয়ে পুলিশকেই দ্রুত দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন করতে দেখা গেছে দাবাং কিংবা সিংহমের মতো একাধিক সিনেমায়। সেখানে অজয় দেবগন কিংবা সলমান খানের গরমাগরম ডায়লগ শুনে হাততালিতে ফেটে পড়ে হল। কিন্তু ঠিক এই একই কারণে সিংহমের মতো সিনেমা সমাজের পক্ষে 'বিপজ্জনক', এমনটাই জানালেন বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি (Singham Send Dangerous Message)।
শুক্রবার ইন্ডিয়ান পুলিশ ফাউন্ডেশনের একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন বোম্বে হাইকোর্টের (Bombay High Court) বিচারপতি গৌতম প্যাটেল। সেখানেই এমন কথা জানিয়েছেন তিনি। পুলিশে সংস্কার বিষয়ক মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, সমাজের কাছে পুলিশের গুণ্ডা, দুর্নীতিবাজ, এবং যারা নিজের কাজের জন্য কাউকে জবাবদিহি করে না-এমন একটা ভাবমূর্তি রয়েছে। তবে এই একই কথা রাজনীতিবিদ, বিচারক, সাংবাদিক সহ যে কারও ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে। যখনই মানুষের মনে হয় আদালত নিজের কাজ করছে না, তখনই সেখানে পুলিশের ঝাঁপিয়ে পড়ার ঘটনাকে এভাবে উদযাপন করে মানুষ।
ভারতীয় সিনেমায় এমন দৃষ্টিভঙ্গিরই বেশি প্রতিফলন দেখা যায়, যেখানে বিচারপতিরা মোটা ফ্রেমের চশমা, অপরিচ্ছন্ন পোশাক পরে থাকেন। তাঁরা ভীরু প্রকৃতির হন। সেখানে পুলিশ এসে আদালতকে অপরাধীদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য দায়ী করে। তারপর সেই নায়ক পুলিশ নিজে একা হাতে বিচার পাইয়ে দেন।
এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সিংহম ছবির ক্লাইম্যাক্স এর কথা উল্লেখ করেছেন বিচারপতি। সেখানে প্রকাশ রাজ অভিনীত একজন রাজনৈতিক নেতার চরিত্রকে শাস্তি দেখা যায় পুলিশকে। আইনি প্রক্রিয়া ঝামেলায় না গিয়ে এই যে শর্টকাটে বিচার পাইয়ে দেওয়ার প্রবণতা, সেটাই অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেছেন বিচারপতি।
১১ দিন তালিবানদের রান্না করে খাওয়াতে হয়েছিল, বিশ্বভ্রমণ সেরে ঘরের পথে সুন্দরবনের সোমেন