
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 20 April 2025 19:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে গরমের প্রকট দাপট ধেয়ে আসার মুখে ব্রিগেড সমাবেশ ডেকেছিল বামেরা। তাতেও ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ বাস ও ট্রেনে জমায়েত হন রবিবারের ব্রিগেডে। নেতৃত্বে বারবার উঠে আসে 'শ্রমের মর্যাদা ও অধিকার' প্রসঙ্গ।
ব্রিগেড সমাবেশের পরে মহম্মদ সেলিম সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন, 'ব্রিগেডে যত লোক হওয়ার কথা, তার থেকে অনেক বেশি হয়েছে। আমি মনে করি লড়াই সবে শুরু হয়েছে। খেটে খাওয়া মানুষ, শ্রমজীবি মানুষ পারিশ্রমিকের জন্য লড়াই করছে। আরও তীব্র লড়াই হবে। আর তা তাঁরা আদায় করেই ছাড়বেন।'
সেলিম আরও বলেন, 'মানুষকেই প্রতিটা বুথ থেকে ভূত তাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। চারিদিকে সব নকল পুলিশ অফিসার, নকল পোলিং এজেন্ট সেজে ঘুরে বেরায়। সবাইকে তাড়াতে হবে। তবেই সঠিক বিচার সম্ভব।'
মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ও এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে আসল ভোট হয় নাকি! এ রাজ্যে তো ভোট লুট হয়। মানুষ সঠিকভাবে নিজের মত জানাতে পারে নাকি!'
তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন, 'আসলে এদের আর লজ্জা বলে কিছু নেই। এরা চাকরি চুরি করে, দুর্নীতি করে, টাকা খায়, তারপরে গরিব, খেটে খাওয়া মানুষদের লড়াইকে এরা কটাক্ষ করে। এসব কিছু থেকে পিছিয়ে যাবে না কর্মী সমর্থকরা। ওরা যেভাবে এতদিন প্রতিবাদ করেছে, রুখে দাঁড়িয়েছে, ওরা এবারও সেভাবেই রুখে দাঁড়াবে।'
২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি যাওয়াকে কেন্দ্র করেও মুখ খোলেন মীনাক্ষী। বলেন, 'ওদের কারও চাকরি যায়নি। সরকার তাঁদের চাকরি খেয়েছে। রাজ্য সরকার ক'টা টাকা নিজেদের পকেটে ঢোকানোর জন্য এত বড় কাজটা করল। যখন সুপ্রিম কোর্ট রেজাল্ট চাইল, তখন তাহলে ওরা মুখ বন্ধ করে কেন থাকল। আসলে এরা এই চাকরি দুর্নীতিটা করল। শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে একেবারে ভেঙে ফেলতে চাইছে রাজ্য সরকার।'