Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকের

সন্তান নেওয়ার হার সবচেয়ে বেশি কমেছে মুসলিমদের মধ্যে, জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত পাঁচ বছরে সন্তান নেওয়ার হার (Fertility Rate) সবচেয়ে বেশি কমেছে মুসলিমদের (Muslims) মধ্যে। জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা - ৫ (এনএফএইচএস)-এর সদ্য প্রকাশিত রিপোর্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে। (Survey) প্রতি পাঁচ বছর পর

সন্তান নেওয়ার হার সবচেয়ে বেশি কমেছে মুসলিমদের মধ্যে, জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

শেষ আপডেট: 9 May 2022 07:47

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত পাঁচ বছরে সন্তান নেওয়ার হার (Fertility Rate) সবচেয়ে বেশি কমেছে মুসলিমদের (Muslims) মধ্যে। জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা - ৫ (এনএফএইচএস)-এর সদ্য প্রকাশিত রিপোর্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে। (Survey)

প্রতি পাঁচ বছর পর হওয়া ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, পাঁচ বছর আগে (২০১৫- '১৬-এনএফএইচএস-৪) সন্তান ধারণের বয়সে থাকা মুসলিম মহিলাদের গড় সন্তান সংখ্যা ছিল ২.৬। সদ্য সমাপ্ত (২০১৯-২০২১এনএফএইচএস-৫) সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে সেই হার কমে হয়েছে ২.৩।

১৯৯২-৯৩ সালে হওয়া প্রথম এনএফএইচএস-এর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে সন্তান ধারণে সক্ষম মুসলিম মহিলাদের মাথাপিছু সন্তান সংখ্যার গড় অর্ধেকে নেমে এসেছে। তখন ওই সংখ্যা ছিল ৪.৪ জন।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, সব ধর্মের মধ্যে মুসলিমদের মধ্যেই এই মানদণ্ডে জন্মহার হ্রাস পেয়েছে সবচেয়ে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলছেন, বিগত কয়েক দশক যাবৎ এই ব্যাপারে উল্টো প্রচার হয়ে আসছিল। ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর উদ্দেশে লাগাতার মুসলিম জনসংখ্যার বিস্ফোরণের কথা বলা হচ্ছিল। মাস কয়েক যাবৎ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি প্রচার শুরু করেছে, অচিরেই মুসলিমরা জনসংখ্যায় হিন্দুদের ছাপিয়ে যাবে। তারা হিন্দু দম্পতিদের বেশি করে সন্তান নেওয়ার জন্য প্রচার শুরু করেছে।

আবার উত্তরপ্রদেশ, অসমের মতো রাজ্যগুলি মুসলিম জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে রাজ্য ভিত্তিক জনসংখ্যা নীতি প্রণয়নের পথে হাঁটছে।

কিন্তু নরেন্দ্র মোদী সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রক প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলছে, মুসলিমরাও সমানতালে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণ করছে।

দেশের প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এস ওয়াই কুরেশি বছর দুই আগে প্রকাশিত তাঁর গবেষণা গ্রন্থ 'দ্য পপুলেশন মিথ, ইসলাম ফ্যামিলি প্ল্যানিং পলিটিকস ইন ইন্ডিয়া'-তে তথ্য পরিসংখ্যান দিয়ে দেখিয়েছিলেন, মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে হিন্দুত্ববাদী শিবিরের অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি কিছু এলাকাভিত্তিক সমীক্ষা রিপোর্ট তুলে ধরে দেখান, নাগরিক জীবনের সুবিধা বঞ্চিত এলাকা এবং দারিদ্র্য পীড়িত অঞ্চলে সব ধর্মের মধ্যেই পরিবার পিছু সন্তান সংখ্যা বেশি।

কলকাতার সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ফর অ্যাসিস্ট্যান্স টু পিপল একই কাজ করেছে বাংলায়। তারাও নানা সময়ে করা সমীক্ষা রিপোর্ট তুলে ধরে দেখিয়েছে, জনসংখ্যা নিয়ে মুসলিমদের কাঠগড়ায় তোলা নিছকই ধর্মীয় বিদ্বেষ ছাড়ানো এবং রাজনীতির উদ্দেশে করা হচ্ছে।

এনএফএইচএস-৫ এর রিপোর্ট সম্পর্কে পপুলেশন ফাউন্ডেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রধান পুনম মুত্রেজাও মনে করেন, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থানের সুবিধাগুলি পাওয়ায় মুসলিম নারী-পুরুষের মধ্যে সচেতনতার হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

যদিও সন্তান ধারণে সক্ষম মহিলাদের মাথাপিছু সন্তান সংখ্যায় অন্য ধর্ম সম্প্রদায়গুলি এখনও মুসলিমদের থেকে অনেকটা এগিয়ে আছে। হিন্দু, খ্রিস্টান, জৈন ও বৌদ্ধদের মধ্যে এই হার যথাক্রমে ১.৯৪, ১.৮৮, ১.৬১ এবং ১.৩৯। ফলে সর্বভারতীয় গড় এবার দুয়ের নিচে নেমে এসেছে। যা অত্যন্ত ভাল লক্ষণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ক্ষণিকের বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার একাধিক এলাকা, নাজেহাল নিত্যযাত্রীরা


```