
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 28 April 2024 11:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গরমের দোসর হয়ে ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় শোডশেডিং শুরু হয়েছে। অন্যদিকে বিদ্যুতের পাহাড় প্রমাণ চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে।
বিদ্যুৎ দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছর জুন মাসে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা যা ছিল, এবারে এপ্রিলেই তা ছুঁয়ে ফেলেছে। ফলে মে, জুন মাসে বিদ্যুতের চাহিদা কোন জায়গায় গিয়ে পৌঁছবে তা নিয়ে চিন্তিত আধিকারিকরা। দাবদাহ একইভাবে নিজের স্পেল বজায় রাখলে আগামী মাসে বড়সড় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে খোদ বিদ্যুৎ দফতর।
পরিস্থিতির জন্য সঠিক তথ্য না দিয়ে এসি কেনার প্রবণতাকে দায়ী করছেন দফতরের কর্তারা। তাঁদের মতে, গরমের হাত থেকে বাঁচতে যেভাবে মানুষ মুড়ি মুড়কির মতো এসি কিনছেন এবং বিদ্যুৎ দফতরকে না জানিয়ে ব্যবহার করছেন তাতে বিদ্যুতের চাহিদা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে।
সম্প্রতি নির্বাচনী সভা থেকে গরম নিয়ে বলতে গিয়ে মানুষকে বিদ্যুৎ অপচয় না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও। মমতার কথায়, "অনেকে ঘরকে অতিরিক্ত ঠান্ডা করার জন্য এসির তাপমাত্রা ১৫-১৬ ডিগ্রি করে রাখছেন। এতে বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে, বাড়ছে ঘাটতিও।" ২৫ এর নীচে এসি না চালানোর পরামর্শও দিয়েছিলেন মমতা।
বিদ্যুৎ দফতর সূত্রের খবর, গত বছর জুন মাসে সিইএসসি এলাকায় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ২৬০৬ মেগা ওয়াট। এবছর এপ্রিলেই তা পৌঁছেছে ২৭২৮ মেগাওয়াটে। একইভাবে রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের অন্তর্গত এলাকায় গত বছর জুনে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৯২০০ মেগাওয়াট। এবছর এখনই বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯৩৫ মেগাওয়াট।
তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। তাপমাত্রায় রাজস্থানের জয়পুরকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে বঙ্গ। পরিস্থিতি যা তাতে মে, জুন মাসেও গরম কমার কোনও লক্ষ্মণ দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা।