
শেষ আপডেট: 3 February 2024 20:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেয়ের পড়াশোনায় আপত্তি ছিল বাবার। মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিক, চাইতেন না তিনি। পড়াশোনা আটকাতে মারধর থেকে ঘরে আটকে রাখা, কোনও কিছুই বাকি ছিল না। তবুও মেয়ের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দেওয়া আটকাতে পারলেন না। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে মাকে নিয়ে সটান থানায় পৌঁছে যায় পরীক্ষার্থী। পুলিশের সাহায্যে পরীক্ষায় বসল মুর্শিদাবাদের তাহামীরা খাতুন।
ফরাক্কা ব্লকে দুর্গাপুর এলাকায় থাকে তাহরীমা খাতুন। তার মাধ্যমিক সেন্টার পরেছিল ফরাক্কা অর্জুনপুর হাইস্কলে। পরীক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগ, মেয়ে যাতে মাধ্যমিক পরীক্ষা না দেয় তার জন্য বাড়িতে অশান্তি করছিল তার বাবা। এমনকি মেয়েকে মারধর করে বলে অভিযোগ। তারপরই তার সঙ্গে ফরাক্কা থানায় দ্বারস্থ হয় তাহরীমা। সংশ্লিষ্ট থানার আইসি দেবব্রত চক্রবর্তী নিজে ওই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন।
জানা গিয়েছে, রফিকুল ইসলাম ও পপি বিবির চার সন্তান। তাহামীরারা তিন বোন, এক ভাই। পেশায় রাজমিস্ত্রি রফিকুলের বড় মেয়ে তাহামীরা। অভিযোগ, রফিকুল চান না তাঁর মেয়ে পড়াশোনা করুক। শনিবার পরীক্ষা দিতে না যাওয়ার জন্যও তাঁকে মারধর করা হয়। তবুও শেষ পর্যন্ত তাঁকে দমানো যায়নি।