দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ২ জানুয়ারি বিক্ষোভকারীদের ফাঁকি দিয়ে কেরলের শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করেছিলেন দুই মহিলা। তাঁরা হলেন, ৩৯ বছরের কনকদুর্গা এবং ৪০ বছরের বিন্দু। মন্দিরে ঢোকার ‘অপরাধে’ বাড়িতে ঠাঁই হল না কনকদুর্গার। মঙ্গলবার তিনি আশ্রয় নিয়েছেন সরকার পরিচালিত এক হোমে।
দুই সন্তানের মা কনকদুর্গার বিরুদ্ধে পরিবারের অভিযোগ, তিনি শবরীমালা মন্দিরে ঢুকতে যাচ্ছেন, কাউকে জানাননি। ২২ ডিসেম্বর মাল্লাপুরম জেলায় তাঁর বাড়ি থেকে রওনা হন। পরিবারের লোককে বলেছিলেন, তিরুঅনন্তপুরমে এক মিটিং-এ যোগ দিতে যাচ্ছেন। ২৪ ডিসেম্বর তিনি ও বিন্দু প্রথমবার মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করেন। শেষপর্যন্ত পুলিশের পাহারায় ২ জানুয়ারি মন্দিরে প্রবেশ করেন।
মন্দিরে ঢোকার কথা জানাজানি হওয়ার পরে কিছুদিন দু’জনে আত্মগোপন করেছিলেন। পরে বাড়ি ফিরতেই কনকদুর্গাকে আক্রমণ করেন তাঁর শাশুড়ি। অভিযোগ, শাশুড়ির মারে আহত হয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। অবশ্য তাঁর শাশুড়িও অভিযোগ করেছিলেন, কনকদুর্গা তাঁকে আক্রমণ করেছেন।
পুলিশ এবং জেলা প্রশাসন কনকদুর্গার পরিবারকে বোঝাতে চেষ্টা করে যাতে তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু তাঁরা বলেন, শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশের জন্য কনকদুর্গাকে আগে হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তবে তাঁকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। কনকদুর্গা তাতে রাজি হননি। তাই বাড়িতে ঢুকতে পারলেন না তিনি। ঠাঁই নিতে হল সরকারি হোমে।