
মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল।
শেষ আপডেট: 18 November 2024 16:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্নান করতে গিয়ে জলে ডুবে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিল কিশোর। হাসপাতালের এমার্জেন্সিতে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরিবারের অভিযোগ, ভাল করে পরীক্ষা না করেই কিশোরকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে মুখে চাপ দিয়ে হাওয়া দিতেই সে কিছুক্ষণের জন্য বেঁচে ওঠে, বমি করে, শ্বাস প্রশ্বাসও শুরু হয়। অভিযোগ হাসপাতাল চত্বরে এ ঘটনা ঘটার পরও কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেয়নি, না হলে কিশোরটি বেঁচে যেত। মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিরুদ্ধে গুরুতর এই অভিযোগ এনেছে মৃত কিশোরের পরিবার।
এ ব্যাপারে থানাতেও দায়ের হয়েছে অভিযোগ। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি, মৃত্যুর পর অনেক সময় পেশি সঙ্কোচনের ফলে ডেডবডির মুখ থেকে এরকম জল বের হয়। তার মানে এই নয় যে রোগী বেঁচে রয়েছে। ওরা যখন রোগীটিকে নিয়ে এসেছিল তার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল । চিকিৎসকের পরীক্ষায় কোনও গাফিলতি ছিল না।
পুলিশ সূত্রে খবর মৃত কিশোরের নাম ভি আই। খড়গপুর শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ওই কিশোর রবিবার বিকেলে বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন কংসাবতী নদীতে স্নান করতে এসেছিলেন। সেখানে কোনওভাবে সে জলে তলিয়ে যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরে পরিবারের লোকজন মুখে ফু দিয়ে চাপ দিতে ছেলেটি জলবমি করতে শুরু করে বলে দাবি পরিবারের। তাদের বক্তব্য, "কিশোরটি তখনও বেঁচে ছিল। তা না হলে শ্বাস প্রশ্বাস চালু হল কী করে? সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার বাবুদের দেখার অনুরোধ করা হয়েছিল তারা গুরুত্ব দিলে এভাবে মারা যেত না।"
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার বিকেলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয় হাসপাতাল চত্বরে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।