
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং তাঁর বই
শেষ আপডেট: 21 August 2024 19:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে হবে প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্মরণসভা। স্মরণসভায় বুদ্ধদেবের লেখা বইয়ের চাহিদা থাকতে পারে ব্যাপক মাত্রায়। এই ভাবনা থেকে পরিমরি করে কয়েক হাজার কপি ছাপল সিপিএমের প্রকাশনা সংস্থা। ‘স্বর্গের নীচে মহাবিশৃঙ্খলা’, ‘নাৎসি জার্মানির জন্ম ও মৃত্যু’ এবং ‘পুড়ে যায় জীবন নশ্বর’- এই তিনটি বই মূলত বিশেষ ভাবে ছাপা হয়েছে। বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী।
‘এই আমি মায়াকভস্কি’ও ছাপতে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও অবধি পাওয়া খবর, সেই কপি ছেপে আসেনি। চেষ্টা করা হচ্ছে যদি রাখা যায়। বইপ্রেমীরা যাতে এই বইগুলি কিনতে পারে, তার জন্য নেতাজি ইন্ডোরে একটি স্টলের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
বুদ্ধদেবের দু’টি বই পর পর প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৮ ও ২০১৯-এর পুজোয়। বিক্রিও হয়েছিল দেদার। সরকার থেকে বামফ্রন্ট চলে যাওয়ার পর ‘ফিরে দেখা’ এবং ‘ফিরে দেখা ২’ সাড়া ফেলেছিল। বহু বছর আগে বুদ্ধদেব যখন জ্যোতি বসুর মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন, তখন তাঁর লেখা নাটক ‘দুঃসময়’ বঙ্গ রাজনীতিতে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল।
আসন্ন পুজোর কথা মাথায় রেখে বুদ্ধদেবের লেখা প্রবন্ধের একটি সঙ্কলন প্রকাশ করার চেষ্টা করছে সিপিএমের প্রকাশনা সংস্থা। কথা চলছে প্রয়াত নেতার প্রকাশিত কিন্তু অগ্রন্থিত প্রবন্ধগুলিকে এক জায়গায় আনার। তাহলে পুজোয় সেগুলি সঙ্কলন আকারে প্রকাশ করা হবে।
গত ৮ আগস্ট সকালে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে প্রয়াত হন বুদ্ধদেব। ওই দিন তাঁর দেহ রাখা হয়েছিল ‘পিস ওয়ার্ল্ডে’। পর দিন ৯ আগস্ট প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শেষযাত্রা হয়। তার পর দেহদান করা হয় নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
বুদ্ধদেব ছিলেন ডিওয়াইএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। পরে যা সর্বভারতীয় তকমা পায়। সংগঠনের রাজ্য কমিটির মুখপত্রে এতদিন যত লেখা প্রকাশিত হয়েছিল তারই একটি সঙ্কলন প্রকাশ হয় বুধবার। সিপিএম রাজ্যসম্পাদক মহম্মদ সেলিম এই সঙ্কলন উদ্বোধন করেন ।