Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সিজ়ারে প্রসব বাড়ছে দেশে, বছরে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অস্ত্রোপচারে শিশুর জন্ম অর্থাৎ সি-সেকশন বা সিজ়ার মা বা সন্তানের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব একটা নিরাপদ নয়, এমন তথ্য দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই (হু)। অথচ বিশ্বজুড়েই সি-সেকশনে প্রসব বেড়ে চলেছে। আশ্চর্যের বিষয় হল, গত কয়েক বছ

সিজ়ারে প্রসব বাড়ছে দেশে, বছরে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে

শেষ আপডেট: 30 July 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অস্ত্রোপচারে শিশুর জন্ম অর্থাৎ সি-সেকশন বা সিজ়ার মা বা সন্তানের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব একটা নিরাপদ নয়, এমন তথ্য দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই (হু)। অথচ বিশ্বজুড়েই সি-সেকশনে প্রসব বেড়ে চলেছে। আশ্চর্যের বিষয় হল, গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যাণ বলছে ভারতের বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে সিজ়ারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে। সেই সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সি-সেকশন ডেলিভারির খরচ। হিসেব করলে দেখা যাবে, সিজ়ারের জন্য ভারতীয় পরিবারগুলিকে বছরে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি দিতে হয় বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে। দেশে সি-সেকশন ডেলিভারির সংখ্যা এবং খরচ কত বেড়েছে সেই সংক্রান্ত বিষয় সমীক্ষা চালিয়েছে স্যাম্পেল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম, সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম ও ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকাল অফিস (এনএসও)। তথ্য বলছে, ২০১৮ সালে দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে প্রায় ২৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি শিশুর জন্ম হয়েছে সি-সেকশনে। যদি গড়ে প্রতিটি ডেলিভারির খরচ ১৮ হাজার টাকাও ধরা হয়, তাহলে শুধুমাত্র সিজ়ারের জন্যই খরচ হয়েছে ৫ হাজার ১৩০ কোটি টাকা। যেখানে সাধারণ প্রসবে খরচ এত নয়। এনএসও ও সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমের তথ্য বলছে, দেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে জন্মহার ২১.৬%, আর শহরে ১৬.৭%। হিসেব বলছে গত ১২ বছরে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলিতে সিজ়ারের সংখ্যা বেড়েছে ৩০০ শতাংশ, আর বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে সেই হার শতকরা হিসেবে ৪০০। স্যাম্পেল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমের পরিসংখ্যাণ অনুযায়ী, ২০০৫-০৬ সালে দেশে সি-সেকশনে শিশুর জন্ম হয়েছিল ৯%। ২০১৫-১৬ সালে সেটাই এক লাফে বেড়ে যায় ১৮ শতাংশে। ২০১৮ সাল ও তার পর থেকে সিজ়ারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব বেড়েছে ২৮ শতাংশেরও বেশি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন, গর্ভকালীন জটিলতা বা সাধারণ প্রসবে মায়ের সমস্যা থাকলে সেক্ষেত্রেই সিজ়ার বা অস্ত্রোপচারে সন্তানের জন্য হওয়া কাম্য। কিন্তু প্রসবকালীন জটিলতা ছাড়াই সিজ়ার করলে বা সময়ের আগে অস্ত্রোপচার করলে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে আঘাত লাগে। অথচ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মায়েরা প্রসবকালীন যন্ত্রণা এড়ানোর সিজ়ারই বেশি পছন্দ করেন। সেই কারণেই বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও সি-সেকশনের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে খরচও। ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকাল অফিস জানাচ্ছে, গ্রামীন এলাকাগুলিতে সিজ়ারের খরচ কম করেও ১৬ হাজার ৪৭৫ টাকা, যেখানে শহরের বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে সি-সেকশনে খরচ হচ্ছে প্রায় ২০ হাজার টাকার কাছাকাছি। গড় হিসেবে ১৮ হাজার টাকার কাছাকাছি। কোনও কোনও নামী হাসপাতালে এই খরচ আরও বেশি। সিজ়ারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে। অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্নাটক, কেরল, তামিলনাড়ুর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের সি-সেকশনের হার বৃদ্ধি উদ্বেগের কারণ। মহারাষ্ট্রেও একই ছবি দেখা গেছে গত কয়েকবছরে। আহমেদাবাদের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতীয় পরিবারগুলি খরচের বিষয়ে ভাবছে না, শুধুমাত্র কম সময় ও প্রসবকালীন যন্ত্রণা এড়াতেই সি-সেকশন ডেলিভারির পথে হাঁটছে। অথচ সিজ়ারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের পরের জটিলতাগুলো ভাবাচ্ছে। অনেকক্ষেত্রেই সি-সেকশনে প্রসবের পরে শিশুর ওজন কম হয়, শ্বাসের সমস্যা থাকে অনেকের, জন্মকালীন রোগও দেখা দিতে পারে। এই বিষয়গুলো আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

```