দ্য ওয়াল ব্যুরো : ওয়ার্ল্ডস হান্ড্রেড গ্রেসেস্ট প্লেসেস অব ২০১৯। গুজরাতের স্ট্যাচু অব ইউনিটিকে এভাবেই চিহ্নিত করেছে আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিন। সর্দার বল্লভভাই পটেলের ১৮২ মিটার উঁচু মূর্তিটি দেখার জন্য প্রতিদিন ভিড় করেন হাজার হাজার মানুষ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করেছেন, টাইম ম্যাগাজিনের হান্ড্রেড গ্রেটেস্ট প্লেসের মধ্যে স্ট্যাচু অব ইউনিটি স্থান পেয়েছে। গ্রেট নিউজ। কিছুদিন আগেই মূর্তিটি দেখার জন্য রেকর্ড লোক সমাগম হয়েছিল। ৩৪ হাজার মানুষ এসেছিলেন। জায়গাটা যে ট্যুরিস্টদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, তাতে আমি আনন্দিত।
https://twitter.com/narendramodi/status/1166551420180545536
স্ট্যাচু অব ইউনিটিকে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মূর্তি বলে ধরা হয়। গতবছর ৩১ অগস্ট খুব ধুমধাম করে মূর্তির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। নর্মদা জেলার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে মূর্তিটি স্থাপিত হয়েছে। সেখান থেকে নিকটবর্তী শহর ভদোদরা ১০০ কিলোমিটার দূরে। আমেদাবাদ ২০০ কিলোমিটারের থেকেও বেশি দূরে।
নিউ ইয়র্কে অবস্থিত স্ট্যাচু অব লিবার্টি থেকে সর্দার পটেলের মূর্তিটি দ্বিগুণ উঁচু। সাধারণ মানুষের থেকে ওই মূর্তির দৈর্ঘ্য ১০০ গুণ বেশি। মূর্তির পরিকল্পনা করেছিলেন মহারাষ্ট্রের নাম করা স্থপতি রাম ভি সুতার। স্ট্যাচু অব ইউনিটির ভিউইং গ্যালারি ৫০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। মূর্তিটি এমনভাবে বানানো হয়েছে, ঘণ্টায় ২৯০ কিলোমিটার বেগে যদি ঝড় বয় অথবা ৬.৫ রখটার স্কেলে যদি ভূকম্প হয়, তাহলেও কোনও ক্ষতি হবে না।
স্ট্যাচু অব লিবার্টি বাদে মুম্বইয়ের সোহো হাউসও টাইম ম্যাগাজিনের লিস্টে স্থান পেয়েছে।