
শেষ আপডেট: 24 August 2023 14:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৪ বছর আগের এক জুলাই মাস। গোটা দেশ তখন দুরু দুরু বুকে অপেক্ষা করছে। কী হয় কী হয় ভাব, স্বপ্ন কি সত্যি হবে? সত্যিই কি চাঁদ ছোঁবে ভারত? নাকি…
না, স্বপ্ন সত্যি হয়নি। কোটি কোটি ভারতবাসীর আশা সেদিন চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল, ঠিক চন্দ্রযান-এরই মতো। সেদিন যদি চাঁদের মাটিতে পা রাখতে পারত ভারত, তাহলে সাফল্যের মূল কারিগর হতে পারতেন তৎকালীন ইসরো-কর্তা (Ex ISRO Chief) কে শিবন (K Sivan)। সেই তিনিই এবারের চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর সাফল্যে একেবারে শিশুর মতো উল্লসিত হয়ে উঠলেন।
ভারতের চন্দ্র বিজয়ের পর সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শ্রী শিবন জানিয়েছেন, চন্দ্রযানের ল্যান্ডার বিক্রম যখন চাঁদের বুকে সফলভাবে অবতরণ করে, তখন ইসরোর কন্ট্রোল রুমে বাঁধভাঙ্গা আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। শিবন আরও জানিয়েছেন, শুধুমাত্র বিক্রমকে চন্দ্রপৃষ্ঠে নামতে দেখেই তিনি যে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন এমনটা নয়। 'অবশেষে আমাদের প্রার্থনা সত্যি হয়েছে। যতক্ষণ না বিক্রমের পেট থেকে রোভার (প্রজ্ঞান) বের হয়ে আসে, ততক্ষণ ইসরোর কন্ট্রোল রুমেই আমি বসে ছিলাম। যখন দেখতে পাই চাঁদের বুকে রোভারটি নড়াচড়া করছে, তখন বাড়ির পথে রওনা দিই। বাড়ি পৌছাতে অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল,' জানিয়েছেন তিনি।
২০১৯ সালের ২২ জুলাই চাঁদের দক্ষিণ মেরুর উদ্দেশে রওনা হয়েছিল চন্দ্রযান-২। ৬ সেপ্টেম্বর চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের কথা ছিল সেটির। কিন্তু নামতে গিয়েই বিপত্তি বাঁধে। যে পথে যাওয়ার ছিল সেই গতিপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায় ল্যান্ডার বিক্রম। কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং চাঁদের বুকে অবতরণের সময় ভেঙে গুঁড়িয়ে যায় সেটি। ইসরো জানিয়েছিল, সফটওয়্যারের গোলমালের জন্যই এই ঘটনা ঘটেছিল।
কঠোর পরিশ্রমের পর সেই ব্যর্থতায় ইসরোর টিম তো বটেই, মর্মাহত হয়েছিল গোটা দেশ। কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন শিবন। সেই সময় শিবনের পিঠ চাপড়ে তাঁকে সান্ত্বনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। তবে সেবারের ব্যর্থতা ভুলে চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যে খুশিতে মেতেছেন শিবন।
চাঁদের হাসি জলপাইগুড়ির কলেজেও, সেখানকারই ৬ ছাত্র ইসরো-টিমে! আনন্দে মিষ্টি বিলি অধ্যক্ষের