দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোর-রাতে আচমকা শুরু জঙ্গি-রক্ষী এনকাউন্টার! আজ শুক্রবার জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার এই ঘটনায় হতাহতের খবর মেলেনি এখনও। তবে পরপর কয়েক দিন ধরেই এলাকা উত্তপ্ত। এদিন ফের ভোরে ঘুমের মধ্যেই কেঁপে ওঠেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তা বাহিনী। কাল গভীর রাতে বারামুলার পাত্তান এলাকার ইয়েদিপোরায় যৌথ তল্লাশি অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ। ওই এলাকায় জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার আগাম খবর ছিল তাদের কাছে। আচমকা ভোর রাতে অতর্কিতে বাহিনীর উপর গুলিবৃষ্টি শুরু করে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিরা।
https://twitter.com/KashmirPolice/status/1301690164398313472
সোমবারই এই বারামুলায় সেনাবাহিনীর একটি গাড়িকে নিশানা করে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে রাস্তার উপরেই ফেটে যায় গ্রেনেড। আহত হন সেই সময় ওই এলাকায় থাকা সাধারণ নাগরিকরা। জানা গিয়েছে, আহত হয়েছেন মোট ৬ জন। সেনাবাহিনীর তরফেই তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তার আগের দিনও গ্রেনেড হামলা হয়েছিল এই বারামুলা জেলাতেই। সোপোর এলাকায় একটি পুলিশ পোস্টকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালান চেক পোস্টের দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীরা। গতকাল অর্থাৎ রবিবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ উত্তর কাশ্মীরের বারামুলা জেলার সোপোর এলাকায় ওয়ারপোরা পুলিশ পোস্টকে নিশানা করে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
পরপর দুদিন এই কাণ্ডের পরে বারামুলার ওই এলাকায় বেশ কয়েক দিন ধরেই কয়েক জনের সন্দেহজনক গতিবিধি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে পড়ে। খবর পৌঁছে যায় সেনার কাছে। সেই খবরের ভিত্তিতেই কয়েক দিন ধরেই বারামুলার নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে চিরুনি তল্লাশিতে নামে সেনা। ওই এলাকায় যে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে, তাও স্পষ্ট হয়। ঘন পার্বত্য অঞ্চলে জঙ্গল ও খারাপ আবহাওয়ার সুযোগ নিয়ে বছরের এই সময়টায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা।
এবারেও তেমনই হয়েছে। ভোর থেকে এখনও চলছে গুলির লড়াই। আরও বাহিনী পাঠানো হয়েছে ঘটনাস্থলে।
বিস্তারিত আসছে...