
শেষ আপডেট: 25 March 2024 07:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ১৬ মার্চ লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে সাত দফার ভোটপর্ব শুরু হবে। বর্তমানে জোর কদমে চলছে সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রচার। নির্বাচন কমিশনের ব্যস্ততাও তুঙ্গে। এরই মধ্যে শতায়ু ভোটারদের স্বাস্থ্যের চিন্তায় ঘুম ছুটেছে নির্বাচন কমিশনের। হঠাৎ কী কারণে প্রবীণ ভোটারদের স্বাস্থ্যের দিকে আলাদা করে নজর রাখতে হচ্ছে, নেপথ্যে যে রয়েছে কমিশনেরই একটি নির্দেশিকা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, রাজ্যে ১০০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে এমন ভোটারের সংখ্যা মোট ৫,১৭৩। শুধু তাই নয়, এঁদের মধ্যে ১০১ বছর পার করে ফেলেছেন ৩,৫৮৬ জন। এমনকী, এই তালিকায় ১১০ বছরেরও বেশি বয়সের ভোটার আছেন। এই প্রবীণ ভোটারদের স্বাস্থ্যের দিকে এখন কমিশনকে নিয়মিত বিশেষ নজরদারি চালাতে হচ্ছে।
দিনকয়েক আগেই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানিয়েছে, প্রতিটি দফায় পরিমার্জিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী ভোট হবে। অর্থাৎ, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত প্রতিটি ভোটারের সংখ্যা যা দাঁড়াবে, সেই অনুযায়ী ভোট হবে। আর এই নির্দেশিকার ফলেই কমিশন কর্তাদের প্রবীণ ভোটারদের নিয়ে চিন্তা বেড়েছে।
সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকার কারণেই প্রতিটি দফায় মনোনয়ন জমা পড়ার শেষ দিন পর্যন্ত ভোটার তালিকার দিকে বিশেষ নজর রাখতে হচ্ছে। রোজই চলছে সংযোজন ও নাম বাদ দেওয়ার কাজ। এরই মধ্যে শতায়ু ভোটাররা বিশেষ করে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। তাই তাঁদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়ার প্রসঙ্গ উঠছে। আসলে প্রবীণ মানুষজনের যে কোনও সময় স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেক্ষেত্রে কমিশনের কর্তাদের দ্রুত তালিকা ‘আপডেট’ করতে হবে।
সংশিষ্ট এলাকায় বুথ লেভেল অফিসারদের শতায়ু ভোটারদের দিকে নজর রাখতে হবে। সেই সঙ্গে সমস্ত পুরসভা ও পঞ্চায়েতগুলির সঙ্গেও জেলা প্রশাসনের কর্তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলে কমিশন সূত্রের খবর।
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে যখন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়, সেই সময় রাজ্যে শতায়ু ভোটারের সংখ্যা ছিল ৫,২৫০-এর বেশি। সপ্তাহ খানেক আগেই সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,১৮৩। সম্প্রতি আরও কমে হয়েছে ৫,১৭৩ জন। আপাতত এই ভোটাররাই চিন্তায় ফেলেছে কমিশন কর্তাদের।