
শেষ আপডেট: 5 December 2020 09:03
এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার আগে কোনও অনুমতি নেন নি, এই কারণেই তাঁদের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও আল সিমি, হৌসার গ্রেফতারের বিরুদ্ধে বহু মানুষ প্রতিবাদ করায় তার পরের দিনই তাঁদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
ফোটোশ্যুটের কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার পর বেশ কিছু মানুষ ক্ষোভ উগড়ে দেন। ছবি দেখে তাঁদের মনে হয়েছে, এটা 'অশ্লীল', 'কুরুচিপূর্ণ', ও 'আপত্তিকর'। একজন ছবির নীচে জিজ্ঞেসও করেন, "সাধারণ ছবিও কি পিরামিডের সমানে তোলা যাবে না?"
এই বিষয়ে আল সিমিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে পিরামিডের সামনে ছবি তোলা নিষিদ্ধ এটা তিনি জানতেন না। সে কারণেই অনুমতি নেওয়ার কথা ভাবেননি। আর তাঁদের বোল্ড ফোটোশ্যুটের উদ্দেশ্য ছিল না। মিশরের প্রাচীন সংস্কৃতিকে সকলের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। যাতে আগামীতে বহু পর্যটক এখানে ঘুরতে আসেন।
এই ঘটনার পর সুপ্রিম কাউন্সিল অফ অ্যান্টিকুইটিসের সেক্রেটারি জেনারেল মোস্তাফা ওয়াজিরি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, "প্রাচীন স্থাপত্যের সামনে দাঁড়িয়ে অশালীন ছবি তোলা একেবারেই নিষিদ্ধ। মিশরের প্রাচীন সংস্কৃতিকে নিয়ে ছিনিমিনি খেললে, নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
শোনা যাচ্ছে, আল সিমির আগেও বেশ কয়েকজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মিশরের বিভিন্ন জায়গায় বিনা অনুমতিতে ছবি, ভিডিও তুলে আপত্তিকর কন্টেন্ট বানানোর অপরাধে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার আগেও জানা যাচ্ছে গ্রেট পিরামিডের উপরে উঠে এক দম্পতি নগ্ন ফোটোশ্যুট করেছিলেন, যার ফলে সারা দেশের মানুষের ক্ষোভ ফেটে পরেছিল। এই দম্পতিকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার অপরাধে একজন মহিলা ট্যুর গাইড ও উটের মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছিল ।