
শেষ আপডেট: 8 March 2023 09:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দোল, হোলির দিনেও ইডি, (ED) সিবিআইয়ের তৎপরতায় খামতি নেই। মঙ্গলবার সিবিআই দিল্লিতে (Delhi) জেরা করেছে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব ও তাঁর মেয়ে মিসাকে। বুধবার আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তলব করেছে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা (daughter of KCR) তথা রাজ্য বিধান পরিষদের সদস্য কে কবিতাকে। আজ সকালেই তাঁর দিল্লি ও হায়দরাবাদের বাড়িতে নোটিস পাঠিয়েছে তারা। তাঁকেও দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে।
ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী কবিতা সাউথ গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান। দিল্লির আবগারি নীতি তৈরি এবং মদের ডিলার বাছাইয়ে দিল্লি ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি প্রভাব খাটায় বলে অভিযোগ। এই প্রতিষ্ঠানই প্রভাব খাটিয়ে তেলেঙ্গানার বেশ কয়েকজন মদ ব্যবসায়ীকে দিল্লিতে বড় ব্যবসা পাইয়ে দিয়েছিল, এমন অভিযোগ জমা পড়ে ইডি, সিবিআইয়ের কাছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিনিময়ে ঘুষ বাবদ একশো কোটির বেশি ঢোকে এই প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের কাছে। তাদের আরও দাবি, সেখান থেকে ঘুষের টাকা যায় দিল্লির শাসক দল আপ আদমি পার্টির তহবিলে। তদন্তকারীরার খতিয়ে দেখছে কবিতার হাত হয়ে টাকার ভাগ ভারত রাষ্ট্র সমিতির (আগের তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি) তহবিলেও জমা হয়েছে কিনা।
ওই মামলায় ইডি সোমবার অরুণ রামচন্দ্রন পিল্লাই নামে হায়দরাবাদের এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। ইডি সূত্রের খবর, অরুণের মুখোমুখি বসিয়ে কবিতাকে জেরা করতে চায় তারা। এর আগে কবিতার এক প্রাক্তন অডিটরকে দু-দফা জেরার পর গ্রেফতার করা হয়েছে।
দিল্লির মদকাণ্ডের মূল তদন্ত করছে সিবিআই। তারা আগেই কবিতাকে দু’বার জেরা করেছে। ইডির তদন্তের বিষয় বেআইনি আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম। ঘটনাচক্রে ১০ মার্চ দিল্লির যন্তরমন্তরে কবিতার ২৪ ঘণ্টা ধর্নায় বসার কথা। সংসদে মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণে পেশ হওয়া মহিলা বিল অবিলম্বে পাশ করানোর দাবিতে এই ধর্নার আয়োজন করেছেন তিনি। ইডি আগের দিন তলব করেছে তাঁকে। কবিতার দল ভারত রাষ্ট্র সমিতির আশঙ্কা, এই দফায় কবিতাকে গ্রেফতার করা হতে পারে।
ইডি সূত্রের খবর, মদকাণ্ডে ধৃত ব্যবসায়ীদের বয়ান অনুযায়ী তাদের বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিতে আবগারি নীতিতে পরিবর্তন, তেলেঙ্গানার ব্যবসায়ীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়াতে কবিতা প্রভাব খাটিয়েছেন। তবে ইডি, সিবিআই এখনও স্পষ্ট করেনি অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মণীশ সিসোদিয়ারারা কেন সাউথ গ্রুপ নামে তেলেঙ্গানার প্রতিষ্ঠানকে আবগারি নীতি তৈরিতে এতটা মাথা গলানোর সুযোগ দিয়েছিলেন।
তদন্তকারীদের ধারনা, আপ নেতারা নিজেদের আড়ালে রাখতেই এই কৌশল নিয়েছিলেন। ব্যবসায়ীদের ঘুষের টাকা যেভাবে হাওলা চক্রের মতো সাউথ গ্রুপ ঘুরে আপের তহবিলে গিয়েছে তাতে আপ নেতাদের আড়াল কৌশলই জোরদার হচ্ছে।
দোলে গালিগালাজ করছিল মাতাল, প্রতিবাদ করায় এবিভিপি নেতা ও তাঁর বাবাকে বেধড়ক মার