
শেষ আপডেট: 31 January 2024 08:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইডি-র নজরে এবার দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই দত্ত। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের নিতাইকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি। একসময় মন্ত্রী সুজিত বসুর ব্যক্তিগত আপ্ত সহায়ক ছিলেন এই নিতাই। তাঁর বাড়িতে আগেও একবার তল্লাশি চালিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। চলতি সপ্তাহেই ইডির অফিসে হাজিরা দেওয়ার জন্য তলব পাঠানো হয়েছে তাঁকে।
পুজোর ঠিক আগে দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই দত্তর বাড়িতে তল্লাশি চালান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দারা। নিতাই দত্তর বাড়িতে ভোর ৬টায় পৌঁছে যান তাঁরা। তার পর ১২ ঘণ্টা ধরে জেরা করেন তাঁকে। এই নিতাই দত্ত ছিলেন সুজিতের আপ্ত সহায়ক। সুজিতের দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী তিনি। এমনকি লেক টাউন চত্বরে কেউ কেউ বলেন যে, সুজিত কোথায় বললে অনেকে উত্তর দেন নিতাই জানেন! নিতাই দত্তকে ইডি জেরা করার পর সুজিত বসু দাবি করেছিলেন, নিতাইকে চাপ দিয়ে তাঁর নাম বলানোর চেষ্টা করছেন ইডির অফিসাররা।
নিতাই দত্তের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় সাত পাতার নথি উদ্ধার করেছিলেন ইডি আধিকারিকরা। দক্ষিণ দমদম পুর সভার ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা আধিকারিকদের দাবি ছিল, পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত নিতাই দত্ত। কামারহাটি পুরসভায় চাকরি পেয়েছেন নিতাইয়ের স্ত্রী ও ভাই।
কেন্দ্রীয় এজেন্সির রিপোর্টে দাবি, ২০১৬ সালে কামারহাটি পুরসভায় অ্যাসিন্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দেন তমাল দত্ত। তারপর থেকে পুর-নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন। পুরসভার একজন অ্যাসিন্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারের এই বিপুল সম্পত্তি কীভাবে হল তা খতিয়ে দেখতে তমাল দত্তের বাগুইআটির অর্জুনপুরের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে, সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা নগদ, এবং প্রায় ১৩০০ পাতার সম্পত্তির নথি মিলেছে বলেও দাবি করেছে ইডি।