
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
শেষ আপডেট: 5 August 2024 16:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে যে তথ্য এসেছে তা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে। কারণ তাঁর ১৩টি ভুয়ো কোম্পানির খোঁজ পেয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। সেই সব সংস্থার থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও তথ্য হাতে এসেছে তাদের। পাশাপাশি ইডি এও জানতে পেরেছে, এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া আনিসুর এবং মুকুল রহমান এই সংস্থাগুলিতে ২০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন।
ইডির হাতে একাধিক ব্যালেন্স সিট এসেছে। সেই তথ্য থেকেই তারা এই টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে। অন্যদিকে, আনিসুর এবং মুকুলকে জেরা করেও এই টাকার বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছে ইডি। সূত্রের খবর, তাঁরা জেরায় স্বীকার করেছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সংস্থায় তাঁরা টাকা দিতেন কোনও দব্য সরবরাহ না করার জন্য। এক্ষেত্রে দব্য বলতে রেশন দ্রব্যের কথাই বলা হয়েছে বলে মনে করছে ইডি।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এও জানতে পেরেছে, এই সব সংস্থায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা পার্টনার হিসেবে ছিল। সেই কোম্পানিগুলির ব্যালেন্স সিট ঘেঁটেই কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য মিলেছে। এর আগে ৮টি কোম্পানির খোঁজ পেয়েছিল ইডি। নতুন করে আরও ৫টি কোম্পানির হদিশ পেল তারা। অভিযুক্তরা নিজেদের পরিবারের লোকজনদের ভুয়ো চাষী সাজিয়েছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে।
গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রেশন দুর্নীতি মামলায় তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। সেই সূত্রে ওই মামলায় ধৃত বাকিবুর রহমান ঘনিষ্ঠ দেগঙ্গার তৃণমূল নেতা আনিসুরকেও সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করে তাঁরা। একই সঙ্গে বাকিবুরের আত্মীয় আলিফ নুর যিনি আবার আনিসুরের ভাই, তাঁকেও তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত শুক্রবারই তাঁদের দুজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।