ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে অভিযুক্তদের জেলে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি ইডিকে
দ্য ওয়াল ব্যুরো : কসবার ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে (Fake Vaccine Scam) ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট। কলকাতা জুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি-র আধিকারিকরা। কিন্তু এখনও ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের পাণ্ডা দেবাঞ্জন দেব ও অন্যান্য অভিযুক্তকে জ
শেষ আপডেট: 2 September 2021 16:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো : কসবার ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে (Fake Vaccine Scam) ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট। কলকাতা জুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি-র আধিকারিকরা। কিন্তু এখনও ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের পাণ্ডা দেবাঞ্জন দেব ও অন্যান্য অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেনি ইডি। ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরেই কলকাতা পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে। তাঁরা এখন আছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। সেখানে গিয়ে যাতে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়, সেজন্য বৃহস্পতিবার সিবিআই আদালতে আবেদন করেন ইডি-র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর দীপেন্দু মোদক। বিচারক প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারিনটেনডেন্টকে নির্দেশ দিয়েছেন, ইডির আধিকারকরা যাতে জেলের ভিতর নির্বিঘ্নে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন, সেজন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে।
ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে ইতিমধ্যে মামলা করেছে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু যে মামলায় আর্থিক লেনদেন জড়িত আছে, সেখানে ইডি তদন্ত করতে পারে। দেবাঞ্জন দেব ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে ইডির অফিসাররা ইতিমধ্যে গিয়েছেন ১০ টি টিকাকরণ কেন্দ্রে। এছাড়া দেবাঞ্জন ও তাঁর আত্মীয় রাহুল বর্ধনের বাড়িতেও তল্লাশি করা হয়েছে। ভুয়ো ভ্যাকসিনের পাশাপাশি অক্সিজেন, রেমডিসেভির ও অক্সিমিটারের কালোবাজারি নিয়েও ইডি তদন্ত করছে।
ইডি-র কর্তা দীপেন্দু মোদক এদিন বিচারককে বলেন, ওই মামলায় অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেব, রবিন শিকদার, সুশান্ত দাস, শান্তনু মান্না, কাঞ্চন দেব, শরৎ পাত্র, অশোক কুমার রায় এবং অরবিন্দ বৈদ্যকে জেরা করা প্রয়োজন। তাঁরা সকলেই প্রেসিডেন্সি জেলে আছেন। তিনি একাধিকবার জেলে গিয়েও তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। তখনই বিচারক প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারকে নির্দেশ দেন, ইডির অফিসারদের অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে দিতে হবে।
ভ্যাকসিন কেলেঙ্কারির তদন্তে ইতিমধ্যে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করেছে লালবাজার। দেবাঞ্জন দেবের একের পর এক কেলেঙ্কারি সামনে আসছে। শহরের একাধিক থানায় ওই প্রতারকের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত অভিযোগ একত্রে তদন্তের স্বার্থেই সিট গঠন করা হয়েছে। তদন্তকারী অফিসাররা বলছেন, আরও বড় ষড়যন্ত্রের ছক ছিল দেবাঞ্জন দেবের। ধরা না পড়লে সে এমন আরও ভুয়ো টিকাকরণ শিবিরের ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলত বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি-ও ভ্যাকসিন কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত শুরু করতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে রাজ্য পুলিশের এলাকাধীন সোনারপুর থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'