ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ, শহরের একটি সংস্থার ১০৭ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলার সঙ্গে যুক্ত অভিযোগে কলকাতার একটি সংস্থার ১০৭ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল দুর্নীতিদমন শাখা (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সংক্ষেপে ইডি)। ইডি সূত্রে মঙ্গলবার এ খবর জানা গেছে।
প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারি
শেষ আপডেট: 21 January 2020 13:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলার সঙ্গে যুক্ত অভিযোগে কলকাতার একটি সংস্থার ১০৭ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল দুর্নীতিদমন শাখা (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সংক্ষেপে ইডি)। ইডি সূত্রে মঙ্গলবার এ খবর জানা গেছে।
প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টে ফেয়ারডিল সাপ্লায়ার্স নামে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পরে সংস্থার নির্দেশকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে ইডি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কোয়েম্বত্তুরে সংস্থাটির জমি ও বাড়ি, আমেদাবাদে একটি অফিসবাড়ি, ফার্ম হাউস ও বাংলো এবং সাতটি স্থায়ী আমানত। সব মিলিয়ে বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মূল্য ১০৭.৭৩ কোটি টাকা।
একটি বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, কলকাতার ইউকো ব্যাঙ্কের একটি কর্পোরেট শাখায় প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখে সিবিআই ওই সংস্থাটির বিরুদ্ধে যে চার্জশিট তৈরি করেছে তার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থার ডিরেক্টর রাম প্রসাদ আগরওয়াল, নারায়ণ প্রসাদ আগরওয়াল, পবন কুমার আগরওয়াল, সৌরভ ঝুনঝুনওয়ালা ও আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে ইডি।

তদন্তে ইডি দেখেছে, ফেয়ারডিলস সাপ্লায়ার লিমিটেড নামে ওই সংস্থাটি এবং সংস্থার ডিরেক্টররা ফরেন লেটার অফ ক্রেডিটের ভিত্তিতে ‘প্রতারণা করে’ ইউকো ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। তাঁরা এজন্য জালিয়াতি করে স্টক স্টেটমেন্ট বাড়িয়ে দেখিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ইডির।
ইডির জানিয়েছে, কয়লা আমদানি করার সময় ফরেন লেটার অফ ক্রেডিটের ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের নির্দিষ্ট বিধি ভঙ্গ করেছে সংস্থাটি। এক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করেছে এবং সেই জমা টাকাও আবার অন্য খাতে চালান করে দেওয়া হয়েছে। এই ভাবে তছরূপ করা টাকার পরিমাণ ২৩১.৯৫ কোটি।
ওই সংস্থার নির্দেশকরা ক্রেতাদের ‘নির্দেশ’ দিয়েছিলেন, তাদের সংস্থার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পণ্য না কিনে অন্য অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তা কেনার জন্য। ফলে ফেয়ারডিলস সাপ্লায়ার লিমিটেডের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টের বদলে কয়লা কেনার টাকা জমা পড়ে অন্য অ্যাকাউন্টে। সেই জমা টাকাও আবার পাঠিয়ে দেওয়া হয় অন্যত্র।
এ ব্যাপারে এখনও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ইডি।