
শেষ আপডেট: 5 January 2024 11:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রেশন দুর্নীতির তদন্তে ফের রাজ্যজুড়ে অভিযানে নামল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। শুক্রবার সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনা এবং কলকাতার মোট ১২টি জায়গায় হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা।
সূত্রের খবর, এদিন সাতসকালে ইডির একটি তদন্তকারী দল উত্তর ২৪ পরগনার শিমুলতলায় পৌঁছে যায়। বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যর শ্বশুরবাড়ি রয়েছে এখানে। তৃণমূল নেতার শ্বশুর বিনয়কুমার ঘোষের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ইডি। একই সঙ্গে শাহজাহান শেখের সরবেড়িয়ার বাড়িতে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকরা।
কলকাতার ইএম বাইপাসে শঙ্কর আঢ্যর আরো একটি বাড়িতেও পৌঁছেছেন তদন্তকারীরা। তবে এক্ষেত্রে বাড়ির ভেতরে লোক থাকলেও কেউ দরজা খুলছেন না বলে অভিযোগ। বিজয়গরের একটি আবাসনেও হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা।
কল্যাণ সিংহ রায় নামে ওই ব্যক্তি পেশায় চার্টাড অ্যাকাউন্টেন্ট। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি শুরু হয়েছে । কলকাতার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। গোপাল মল্লিক নামে ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের দাবি, শাহজাহান এবং শঙ্কর দু'জনেই রাজ্যের জেলবন্দি খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাঁদের হাত ধরেই রেশনের কোটি কোটি টাকা তছরূপ করা হত বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।
পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে রেশন বণ্টন দুর্নীতির কথা জানতে পারেন গোয়েন্দারা। তারপর তদন্তে নেমে উঠে আসে চাল-আটা কলের মালিক বাকিবুর রহমানের নাম। তাঁকে গ্রেফতারের কয়েকদিনের মধ্যেই ইডির হেজাফতে আসেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই দু’জনকে জেরা করতে উঠে আসে রেশন দুর্নীতির একের পর এক তথ্য।
ইতিমধ্যে আদালতে পেশ করা চার্জশিটে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা্র দাবি, রেশন দুর্নীতিতে এখনও পর্যন্ত একশ কোটি টাকারও বেশি দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। গত এক দশকে এই দুর্নীতির পরিমাণ প্রা্য় ১ হাজার কোটি টাকা।