
শেষ আপডেট: 4 March 2024 14:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্দেশখালির মামলায় নতুন করে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানানো হল। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়েছে।
শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পর এই মামলার তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি-র আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদীর বক্তব্য, তদন্তের নামে বারবার ইডি অফিসারদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু অভিযুক্তকে আদতে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জেরার প্রয়োজন। ইডির অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশ নিজের হেফাজতে রেখে তদন্তের অগ্রগতিকে ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। এদিকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল আদালতে বলেন, এই ঘটনায় তদন্ত করার এক্তিয়ার ইডির নেই। তাই সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে সিবিআই বা সিট গঠন করে তদন্ত করার আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলেই আর্জি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। এবার উচ্চ আদালতেই ফের সিবিআই তদন্ত চেয়ে আবেদন করা হল।
সন্দেশখালির ধৃত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী হিসেবে ইডির ডেপুটি ডিরেক্টরকে সিআইডির অফিসে ডাকা হয়েছিল। সোমবারই ভবানী ভবনে আসতে বলা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু সেই তলবে সাড়া দেননি ইডির ডেপুটি ডিরেক্টর। বরং হাইকোর্টে যাওয়ার কথা বলেছিল ইডি। আদালতে গিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করল তাঁরা।
ইডি আধিকারিকরা সন্দেশখালিতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে গ্রামবাসীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই ঘটনায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত সিট গঠন করার নির্দেশ দেন। বলা হয়, সিবিআই এবং রাজ্যের আধিকারিকরা যৌথভাবে তদন্ত করবে। তবে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। আগামী ৬ মার্চ সেই মামলার শুনানি।
শেখ শাহাজাহানের আইনজীবী গত সপ্তাহে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁর আর্জি ছিল, নিম্ন আদালতের পেন্ডিং জামিনের আবেদনগুলি প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ শুনুক। কিন্তু প্রধান বিচারপতি তাঁকে স্পষ্ট জানান, শাহজাহানের প্রতি তাঁর কোনও সমবেদনা নেই। প্রধান বিচারপতি শাহজাহানের আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, ''আগামী ১০ বছর আমরা আপনাকে ব্যস্ত রাখব। আপনি ভালো করে একটি লিগাল টিম তৈরি করুন। আগামী ১০ বছর আপনাকে অন্য কাজ করতে হবে না। এই মামলা চালাতেই কেটে যাবে।''