Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাজারে চাহিদা বেড়েছে ঠিকই কিন্তু অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন অত সহজে হবে না, সতর্ক করল রেটিং এজেন্সি

দ্য ওয়াল ব্যুরো : অক্টোবরে ভারতের অর্থনীতির বিভিন্ন সেক্টরে চাহিদা বেড়েছে। জিএসটি আদায়ও হয়েছে সন্তোষজনক। ফলে অনেকেই মনে করছেন, ফের ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি। এবছর জিডিপি যতদূর সংকুচিত হবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা নাও হতে পারে বলে তাঁদের ধারণ

বাজারে চাহিদা বেড়েছে ঠিকই কিন্তু অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন অত সহজে হবে না, সতর্ক করল রেটিং এজেন্সি

শেষ আপডেট: 25 November 2020 05:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো : অক্টোবরে ভারতের অর্থনীতির বিভিন্ন সেক্টরে চাহিদা বেড়েছে। জিএসটি আদায়ও হয়েছে সন্তোষজনক। ফলে অনেকেই মনে করছেন, ফের ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি। এবছর জিডিপি যতদূর সংকুচিত হবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা নাও হতে পারে বলে তাঁদের ধারণা। এই পরিস্থিতিতে ডোমেস্টিক রেটিং এজেন্সি ইকরা জানাল, অর্থনীতির এই তেজি ভাব স্থায়ী নাও হতে পারে। ইকরার প্রিন্সিপাল ইকনমিস্ট অদিতি নাভার বলেন, "গত অক্টোবরে অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। উৎপাদনও বেড়েছে। কিন্তু এখনই ভাবা উচিত নয় যে অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন ঘটছে। লকডাউনের সময় যে চাহিদা সৃষ্টি হয়েছিল, তা এতদিনে পূরণ হচ্ছে। তাছাড়া অক্টোবর ছিল উৎসবের মাস। তার ফলে বাড়তি চাহিদা সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু এই চাহিদা স্থায়ী নাও হতে পারে।" ইকরার মতে, আগামী দিনে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে কিনা তা নির্ভর করবে সরকারি ব্যয়বরাদ্দের ওপরে। কয়েকটি রাজ্যে নতুন করে কোভিড সংক্রমণ বেড়েছে। ফলে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করতে হচ্ছে। তাতে অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন ব্যাহত হতে পারে। কিছুদিন আগে অক্সফোর্ডের দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ প্রিয়ংকা কিশোর ভারতের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে একটি রিপোর্ট লেখেন। তাঁর মতে, আগামী পাঁচ বছর ভারতের অর্থনীতির বিকাশ হবে বছরে ৪.৫ শতাংশ হারে। করোনার আগে বার্ষিক বিকাশ হচ্ছিল গড়ে ৬.৫ শতাংশ। ব্যালান্স শিটে লেখা হয়েছে, ২০২০ সালের আগেই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়েছিল ভারতের অর্থনীতি। বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থার লাভের পরিমাণ কমছিল। বহু ব্যাঙ্কের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। ব্যাঙ্ক বহির্ভূত আর্থিক সংস্থাগুলি ক্ষতির মুখে পড়েছিল। চাকরির বাজারে সংকট দেখা দিয়েছিল। কোভিড অতিমহামারী আগামী দিনে এই সমস্যাগুলি আরও বাড়িয়ে তুলবে। অক্টোবরের মাঝামাঝিও আইএমএফ থেকে বলা হয়, এশিয়ার মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ভারতের অর্থনীতির। চলতি আর্থিক বছরে ভারতের অর্থনীতি সম্ভবত সংকুচিত হবে ১০.৩ শতাংশ। আইএমএফের হিসাবমতো বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, চিন, নেপাল, পাকিস্তান ও আরও পাঁচটি দেশের তুলনায় পিছিয়ে পড়বে ভারতের অর্থনীতি। অর্থনীতির এই হাল নিয়ে আগেই সরকারকে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কৌশিক বসু। তিনি বলেচ্ছেন, "দেশের অর্থনীতি এখন যেখানে পৌঁছেছে, কয়েক বছর আগেও কেউ ভাবতে পারেনি। তার জন্য আংশিকভাবে দায়ী কোভিড। এই অবস্থা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। তথ্যকে অস্বীকার করলে চলবে না। যদি ভুল হয়ে থাকে, স্বীকার করতে হবে। ভুল সংশোধনের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ শুনতে হবে।" গত সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি ডি সাচস মন্তব্য করেন, করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে ভারত এখনও পর্যন্ত যে উদ্যোগ নিয়েছে, আগামী দিনে তার ডবল উদ্যোগ নিতে হবে। নইলে অর্থনীতির পুনরুজ্জীবনের সব চেষ্টাই হবে হবে ব্যর্থ।

```