দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলা বিভাগে ভর্তির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষা বহাল থাকছে। এমনই সিদ্ধান্ত হল যাদবপুরের ইসি বৈঠকে। কিন্তু তার পরেও কাটল না অচলাবস্থা, ভাঙল না পড়ুয়াদের অনশন।
পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের দাবি, তাঁরা চেয়েছিলেন প্রবেশিকা পরীক্ষা যেন হয়, এবং পরীক্ষা ও ভর্তির গোটা পদ্ধতিতে যেন বাইরের কারও কোনও রকম হস্তক্ষেপ না ঘটে। কিন্তু ইসি বৈঠকের সিদ্ধান্ত যতটা জানা গিয়েছে, তাতে এই স্বাধিকারের দাবিতে ধোঁয়াশা থেকেই গিয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা।
এখনও পর্যন্ত প্রবেশিকা ও ভর্তি পদ্ধতির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিভাগের অধ্যাপকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। প্রবেশিকা ও ভর্তি পদ্ধতি কোন পথে এগোবে, প্রশ্নপত্র কারা ঠিক করবেন, সেই প্রশ্নের গঠনই বা কেমন হবে, পরীক্ষার খাতা কারা দেখবে-- এ সব বিষয়ে কোনও স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। একটি সূত্রের খবর, এ বিষয়টির যৌথ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও কলা বিভাগের ডিনকে।
অ্যাডমিশন কমিটিরও আর কোনও ভূমিকা থাকবে না এই ভর্তি পদ্ধতিতে। বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, তুলনামূলক সাহিত্য, দর্শন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাওয়া নম্বর এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে পাওয়া নম্বর-- এই দুইয়ের ৫০ শতাংশ করে নিয়ে ঠিক হবে ভর্তির মেরিট লিস্ট। শিক্ষক-অধ্যাপকদের অনুরোধ করা হয়েছে ভর্তি পদ্ধতিতে যোগদান করতে।
পড়ুয়ারা জানিয়েছেন, ইসি বৈঠকের রিজ়লিউশন জেনেছেন তাঁরা। এর পরে সাধারণ করে ঠিক হবে, আন্দোলনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা। তবে যত ক্ষণ না স্বাধিকার ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হচ্ছে, যত ক্ষণ না সম্পূর্ণ ভাবে ঠিক হচ্ছে ভর্তি পদ্ধতির গতিপ্রকৃতি, তত ক্ষণ পর্যন্ত অনশন উঠবে না বলেই নিশ্চিত করেছেন পড়ুয়ারা।