
শেষ আপডেট: 7 December 2021 16:05
লাল-হলুদের রক্ষণ একেবারে হতশ্রী, আবারও বোঝা গেল ম্যাচের ফয়সালা গোলেই। নগুয়েরা ম্যাচে আরও একটি গোল করে ৪-৩ গোয়াকে এগিয়ে দিলেন। এ দিন প্রথম গোলের মুখ খুলেছিলেন নগুয়েরাই।
বিরতিতে ইস্টবেঙ্গল ২-৩ গোলে পিছিয়ে ছিল। খেলায় সমতা ফেরান ওই পেরোসেভিচই। তিনি খেলায় হ্যাটট্রিক করেন। তিনি যতটা মরিয়া ছিলেন, বাকিরা থাকলে দল জিতেই মাঠ ছাড়ত। পেরোসেভিচের তিন নম্বর গোলটিও তারিফ করার মতোই।
বিরতির আগে সারা মাঠ জুড়ে ঝলমল করেছে লাল হলুদ দল। ম্যাচে দু’বার পিছিয়ে পড়েও পেরোসেভিচের জোড়া গোলে ইস্টবেঙ্গলের কামব্যাক হয়েছে। তবুও শেষরক্ষা হল না, বিরতির কিছুক্ষণ আগে আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল।
মঙ্গলবার এফসি গোয়ার বিপক্ষে ইস্টবেঙ্গল কোচ ম্যানুয়েল দিয়াজ পাঁচটি বদল করেন। প্রথম একাদশ বদল করে স্প্যানিশ কোচ দেখছেন কোনটি বেশি সচল হয়।
গত ম্যাচে যাঁরা খেলেননি শুরু থেকে, তাঁদেরই ব্যবহার করেছেন কোচ। সেই তালিকায় রয়েছেন আন্তোনিও পেরোসেভিচ, রাজু গায়কোয়াড, বিকাশ জাইরু, সৌরভ দাস ও ফ্রাঞ্জো প্রেইস।
এই বদলেই ম্যাচে বদলে গিয়েছে লাল হলুদ দল। শেষমেশ পিছিয়ে পড়লেও তাদের খেলায় উন্নতির ছাপ পরিষ্কার। তারা আজ ভাল খেলছে, প্রান্ত বরাবর বদল করে বিপক্ষ বক্সে হানা দিচ্ছে।
ভাবা গিয়েছিল বিরতির পরেও একই কৌশলে খেলবে। কিন্তু সেইসময় দল বেশি রক্ষণাত্মক খেলেছে, যার ফলে গোয়া পালটা আক্রমণে গিয়েছে বেশি। তারা একটি ম্যাচেও জেতেনি শেষ চারটি ম্যাচে, এবার তারাও জয়ের মুখ দেখল।
শেষদিকে অজস্র বদল এনেছিলেন লাল হলুদের স্প্যানিশ কোচ, তিনি চিমাকে ব্যবহার করেন ম্যাচে। একবার পা স্পর্শ করলেই তিনি গোল পেতেন, সেই বলে পা-ই ছোঁয়াতেই পারেননি।