
শেষ আপডেট: 14 November 2022 03:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধ্যরাতে ফের ভূমিকম্প (earthquake)! দিল্লির পরেই ফের কেঁপে উঠল অমৃতসর-সহ পাঞ্জাবের (Punjab) একাধিক এলাকা। দ্য ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির রিপোর্ট অনুযায়ী এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.১।
রবিবার মধ্যরাতে নাগাদ আচমকাই কেঁপে ওঠে পাঞ্জাবের বিভিন্ন এলাকা। এদিন রাত ৩.৪২ নাগাদ কম্পন (tremor) অনুভূত হয়। রিখটার স্কেল অনুযায়ী এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.১। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ১২০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এই কম্পনের উৎসস্থল।
গত সপ্তাহে দু'বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল দিল্লি (Delhi), নয়ডা, গুরুগ্রাম সহ রাজধানী সংলগ্ন এলাকায়। শনিবার রাত ৮টা নাগাদ আচমকাই কেঁপে উঠেছিল দিল্লি। পাঁচ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল সেই কম্পন, যার জেরে আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি-ঘর, অফিস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে এসেছিলেন দিল্লীবাসী।
তারও আগে, গত সপ্তাহে মঙ্গলবার মধ্যরাতে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছিল দিল্লি ও আশেপাশের অঞ্চলে। সেদিন রাত দুটো নাগাদ রিখটার স্কেলে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল নেপাল, যার রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল দিল্লিতে। এই কম্পনের উৎস ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
মঙ্গলবার এক দিনে মোট তিন বার কেঁপে উঠেছিল নেপাল। সেই ভূকম্পের জেরে নেপালে ৬ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়াও আহত হন আরও ৮ জন। নেপালের সেই কম্পনের জেরে কেঁপে উঠেছিল দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, বিহারের একাধিক এলাকা।
তারপরেই বুধবার মাঝরাতে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয় আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৩। এর পরেই বৃহস্পতিবার সকালে ফের কেঁপে ওঠে অরুণাচল প্রদেশ। এই কম্পনের উৎস ছিল সিয়াং এলাকায় মাটির নিচে দশ কিলোমিটার গভীরে। সিয়াংয়ের সেই কম্পনে কেঁপে উঠেছিল গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত। রিখটার স্কেলে সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৭।
গত সপ্তাহের ৪ দিনে দেশের একাধিক জায়গায় ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই ভূমিকম্পের জেরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির খবর না পেলেও আতঙ্কে রয়েছেন দেশবাসী।
ফের কম্পন রাজধানীতে! এক সপ্তাহে দুবার ভূমিকম্পে আতঙ্কে দিল্লীবাসী