
শেষ আপডেট: 5 December 2023 15:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ। ট্রাফিক চেক পয়েন্টে ড্রপ বক্সে ফেলা জরিমানার টাকার রসিদ চাওয়ায় দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার এক কর্মীকে বেপরায়া মারধরের অভিযোগ উঠল। ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় শিল্পশহর দুর্গাপুরে। ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।
রবিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর বাসিন্দা কুমারেশ রায় সপরিবারে দুর্গাপুরের সিটিসেন্টারে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, চারচাকা গাড়ি নিয়ে যখন গান্ধীমোড় সংলগ্ন রিকল পার্কের ট্রাফিক চেক পয়েন্টে আসেন, তখন সিট বেল্ট পরা ছিল না। তাঁর লাইসেন্স রিনিউয়ালের সময়সীমাও গত নভেম্বর মাসে শেষ হয়েছে। তাই জরিমানা হিসেবে ১ হাজার টাকা চাওয়া হয়। অভিযোগ, এই টাকাটা তাঁকে ড্রপ বক্সে ফেলে দিতে বলে পুলিশ। আর এতে আপত্তি তোলেন কুমারেশবাবু ও তার ছেলে কল্লোল রায়। তাঁদের দাবি ছিল হয় অনলাইন পেমেন্ট করবেন, নয়তো ১ হাজার টাকা জরিমানার রিসিভ কপি দিতে হবে। অশান্তির শুরু সেখানেই।
কল্লোলের অভিযোগ, বারবার রিসিভ কপি চাওয়ার পর জরিমানার টাকা জমা দেওয়ার ড্রপবক্সের ছবি তুলতে গেলে তাকে সামনের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারধর করে উপস্থিত ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। ডান চোখে গুরুতর আঘাত পান কুমারেশবাবু। এরপর বেগতিক বুঝে শেষ পর্যন্ত ২ হাজার টাকা ফাইনের একটি রসিদ দিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। রায় পরিবারের প্রশ্ন যদি বৈধ পথে রিসিভ কপি দেওয়াই হল তাহলে মারধর করা হল কেন? রসিদ ছাড়াই ট্রাফিক চেক পয়েন্ট এ রাখা টিনের ড্রপ বক্সে কেন হাজার টাকা ফেলতে বলা হল!
ইতিমধ্যে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশকে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়ে মেল করেছেন তাঁরা। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার কর্মী কুমারেশ বাবুর ছেলে কল্লোল পুনেতে তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। ছুটি শেষ হলেই কর্মস্থলে ফিরে যাবেন তিনি। এই ঘটনার পরে এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে গোটা পরিবার। পুলিশ জানিয়েছে,