
প্রতীকী চিত্র
শেষ আপডেট: 20 May 2024 20:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: মহিলার আর্তনাদ শুনে ছুটে এসেছিলেন প্রতিবেশীরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখলেন, গায়ে আগুন নিয়ে আপ্রাণ বাঁচার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এক মহিলা। ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকলেন দুর্গাপুরের কাঁটাবেড়িয়া এলাকার বাসিন্দারা।
দুর্গাপুর ফরিদপুরের কাঁটাবেড়িয়ার বাসিন্দা চায়না বাউরি। ৫৩ বছরের ওই মহিলার ছেলে প্রদীপ বাউরির অভিযোগ, “কাঁটাবেড়িয়া এলাকার নিজস্ব বাড়ি থেকে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে মা-বাবা আর আমাদের এলাকা ছাড়া করেছিল মামার ছেলেরা। তারপর থেকেই মা-বাবা কখনও দিদিদের বাড়িতে, কখনও আমাদের বাড়িতে থাকতেন। মাঝে মধ্যে মা কাঁটাবেড়িয়ার বাড়িতে এলে মামার ছেলে বাবলু বাউরি, কার্তিক বাউরি এবং তাঁর বউ সরস্বতী বাউরি এবং সরস্বতী বাউরির দাদা ঠাকুর বাউরি অত্যাচার করত।“
প্রদীপের দাবি, রবিবার সন্ধেয় প্রতিবেশীদের কাছ থেকে মায়ের অগ্নিদগ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে কাঁটাবেড়িয়ায় পৌঁছন তিনি। দেখেন, বাড়ির বাইরে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় ছটফট করছেন তাঁর মা চায়না বাউরি। তাঁর অভিযোগ, মাসতুতো দাদা ও বউদিই কেরোসিন ঢেলে মায়ের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর পিছনে সম্পত্তিগত বিবাদ রয়েছে।
ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন মহিলার শরীরের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে গেছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল তাঁকে। বাঁচানোর চেষ্টা করা হলেও শেষমেশ সম্ভব হয়নি।
দুর্গাপুর ফরিদপুর থানার পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতার ছেলে। বাউরি সমাজকেও বিষয়টি জানিয়েছেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে দুর্গাপুর ফরিদপুর থানার পুলিশ।