শিলিগুড়ি, কলকাতা থেকে সাড়ে চার কোটির চোরাই সোনা বাজেয়াপ্ত, পাকড়াও মোট সাত জন
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিলিগুড়ি ও কলকাতায় অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে চার টাকার চোরাই সোনা বাজেয়াপ্ত করল ডিরেক্টরেট অব ইন্টালিজেন্স রেভেনিউ (ডিআরআই)। শিলিগুড়ির ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে চার জনকে। ধৃতদের মধ্যে আবার এক দম্পতিও আছে। অন্যদিকে, কলকাতার
শেষ আপডেট: 26 July 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিলিগুড়ি ও কলকাতায় অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে চার টাকার চোরাই সোনা বাজেয়াপ্ত করল ডিরেক্টরেট অব ইন্টালিজেন্স রেভেনিউ (ডিআরআই)। শিলিগুড়ির ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে চার জনকে। ধৃতদের মধ্যে আবার এক দম্পতিও আছে। অন্যদিকে, কলকাতার ঘটনায় ধরা পড়েছে তিন জন।
ডিআরআই সূত্রে জানানো হয়েছে, শুক্রবার রাতে কলকাতার ভিআইপি রোড থেকে প্রায় সাড়ে ৬ কেজি ওজনের সোনার বাট উদ্ধার করা হয়েছে। ধরা পড়েছে সুজিত রক্ষিত, সঞ্জিত রক্ষিত, মিলাল স্বর্ণকার নামে তিন জন। বনগাঁ থেকে কলকাতায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এই সোনা।
শিলিগুড়ির ঘটনায়, ধৃতরা হল হাবড়ার বাসিন্দা নিউটন বৈরাগী (২৬), বাপি বৈরাগী (২৯) এবং দমদমের বাসিন্দা অসীম সিংহ এবং কুমকুম সিংহ। অসীম ও কুমকুম স্বামী-স্ত্রী। ধৃতদের কাছ থেকে মোট ৩৬টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়েছে, যেগুলির ওজন ৬ কেজির কাছাকাছি। আন্তর্জাতিক বাজারদর প্রায় ২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। শুক্রবার নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে এই চার জনকে পাকড়াও করা হয়। কলকাতা ও শিলিগুড়ি মিলিয়ে মোট সাড়ে চার কোটি টাকার চোরাই সোনা বাজেয়াপ্ত করেছে ডিআরআই।

গোয়েন্দারা জানিয়েছেন,খবর আগেই মিলেছিল যে অসমের গুয়াহাটি থেকে চোরাই সোনা নিয়ে কলকাতায় পাচার করার উদ্দেশ্যে সরাইঘাট এক্সপ্রেস ট্রেনে রওনা দিয়েছে ওই চার জন। সেই মতো নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে আগে থেকেই ফাঁদ পেতে রাখা হয়েছিল। সরাইঘাট এক্সপ্রেস এনজেপি পৌঁছয় মাঝরাতে। ট্রেন থামলে নির্দিষ্ট কামড়ায় তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। সোনার বিস্কুট-সহ ধরা পড়ে চার জন।
ডিআরআই–এর আইনজীবী সুশিলা ভুটিয়া বলেন, ‘'সোনার বিস্কুটগুলি গুয়াহাটি থেকে কলকাতায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের জামিন খারিজ করেছেন বিচারক। তাদের সোমবার ফের আদালতে তোলা হবে।"
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, মায়ানমার হয়েই এই চোরাই সোনা এ দেশে ঢুকেছিল। তবে এই সোনার বিস্কুটে থাকা ছাপ আগেই উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে ডিআরআই কর্তারা জানতে পারেন। ফলে এই সোনা কোন দেশের সেটা এখনই সঠিক ভাবে বলা যাচ্ছে না। পাচার করা সোনা কলকাতায় কার হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সেটা খতিয়ে দেখছেন ডিআরআই কর্তারা।
চলতি বছরেই জানুয়ারি মাসে সোনা পাচার করতে গিয়ে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বাগডোগরা কাস্টমস্–এর অফিসাররা ওই ব্যক্তিকে জেরা করে তার মলদ্বার থেকে ৬টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেছিলেন।