দ্য ওয়াল ব্যুরো: জুনের প্রথম সপ্তাহেই যুক্তরাজ্য সফরে যাবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রীয় সফরের কর্মসূচী মেনে একদিন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও ব্রিটিশ রাজ পরিবারের সকলের সঙ্গেই সাক্ষাতের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। ব্রিটেন সফরের আগে ডাচেস অব সাসেক্স-এর বেশ প্রসংশাই করতে দেখা গেল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। ২০১৬ সালে তাঁর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ে মেগান মার্কেলের একটি মন্তব্যের প্রসঙ্গে টেনে ট্রাম্প বলেন, "না, না আমি মনেই করি না মেগান এমনটা বলতে পারেন!"
আগামী সোমবার থেকে তিন দিনের সফরে ব্রিটেনে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর সঙ্গে থাকবেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও। শনিবার ব্রিটিশ দৈনিক 'দ্য সান'কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, "২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় মেগান মার্কেল নাকি আমাকে নিয়ে কী সব মন্তব্য করেছিলেন। আমি সরাসরি না শুনলেও, আমার কানে এসেছিল তিনি আমাকে নারী বিদ্বেষী এবং বিভেদকারী বলেছিলেন। তবে সেই মন্তব্যের সত্যতা আমার জানা নেই।"
ডাচেস অব ডিউকের সঙ্গে মেগানের চার হাত এক হয় ২০১৮ সালে। ২০১৬ সালে মার্কিন অভিনেত্রী, মডেল মেগান মার্কেল তখন চুটিয়ে সিনেমা করছেন। ওই বছরই তাঁর অভিনীত 'স্যুটস' ছবির শ্যুটিং চলছিল। 'দ্য সান' জানিয়েছে, সেই সময় মেগান নাকি বলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো কেউ একজন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে তিনি কানাডাতেই আজন্ম থেকে যাবেন। সেই কথার প্রসঙ্গে টেনে এনে ট্রাম্প এ দিন বলেন, "আমি বিশ্বাসই করি না মেগান মার্কেল এমন খারাপ কথা বলতে পারেন। তিনি এতটাও নোংরা নন। নিজের যোগ্যতায় ব্রিটিশ রাজপরিবারে জায়গা করে নিয়েছেন।"
গত মাসেই ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন ডাচেস অব সাসেক্স। হাসপাতালে গিয়ে শিশু জন্ম দেওয়ার চিরাচরিত প্রথা ভেঙে মেগান তাঁদের নয়া বাসভবন, উইনসর এস্টেট-এর ফ্রগমোর কটেজ-এ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই রাজপরিবারে দুই বৌয়ের কলহের খবরও সামনে এসেছে। গত কয়েক মাসে ডাচেস অব সাসেক্স মেগানকে নিয়ে একের পর এক বিতর্কিত খবর হয়েছে ব্রিটিশ দৈনিকগুলোতে। প্রায় সবেতে ‘খলনায়িকা’ হিসেবে দেখানো হয়েছে হ্যারি-পত্নীকে। দাবি করা হয়েছে, রাজপ্রাসাদের কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন মেগান। এতটাই, যে আড়ালে তাঁকে ‘ডাচেস ডিফিকাল্ট’ বলে ডাকা হয়।