
শেষ আপডেট: 8 April 2022 06:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ মাসের ৮ তারিখ। এ মাসে এর মধ্যেই ২৮১ জনকে কুকুরে কামড়েছে (Dog Bite)। গতমাসে সংখ্যাটা ছিল ১৩৮৯। তার আগে মাসে ১২৭৭ এবং জানুয়ারিতে কামড়ায় ১২৩২ জনকে। এমনটাই জানা যাচ্ছে কেরল সরকারের পরিসংখ্যান থেকে।
কেরলের এরনাকুলাম জেলায় অবস্থাটা এতটাই ভয়াবহ যে অনেকেই দু'চাকা নিয়ে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ কুকুরের পয়লা নম্বর টার্গেট টু হুইলার। কুকুরপ্রেমীরাও বলছেন, মাত্র তিন মাসে একটি জেলায় চার হাজার লোককে কুকুরে কামড়ানোর (Dog Bite) ঘটনা যথেষ্ট উদ্বেগের।
দুদিন আগেই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শিকার হন এক ভদ্রমহিলা ও তাঁর ছেলে। ছেলেকে বাইকে চাপিয়ে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে যাচ্ছিলেন মা। ছেলে উচ্চমাধ্যমিক দিচ্ছে। রাস্তায় কুকুর তাড়া করে। ছেলেটির প্যান্ট কামড়ে ধরে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পড়ে গিয়ে আহত হয়ে ছুটতে হয় হাসপাতালে। রাস্তার কুকুরের আক্রমণে এমন ঘটনা-দুর্ঘটনা লেগেই আছে ওই জেলায়।
পরিস্থিতি এমন, যে কোচির মেয়রকে তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকতে হচ্ছে। কারণ, ক্লিনিকগুলোতে ভিড় বাড়ছে কুকুরের কামড় (Dog Bite) খাওয়া লোকের।
কেন এই পরিস্থিতি? জানা যাচ্ছে, কারণ মূলত দুটি কারণ। এক, রাস্তার কুকুর নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আর রাস্তা জুড়ে কুকুরের তাণ্ডবের কারণ তাদের খাবারদাবারের বিস্তর আয়োজন আসছে সেখানে। শহরগুলি জুড়ে খাবারের দোকানের ছোড়াছুড়ি। সেখান থেকে উদ্বৃত্ত খাবার মিলছে। আবার প্রচুর মাংসের দোকান আছে। খাবার মিলছে সেখান থেকেও।

টু হুইলারকে নিশানা করার কারণ হল, সেগুলি সাধারণত রাস্তার এক ধার দিয়ে যায়। আর রাস্তার পাশেই আছে ময়লা ফেলার জায়গা। যেখানে হোটেল, রেস্তোঁরা থেকে বাড়তি খাবার ফেলা হয়। টু হুইলার দেখলে কুকুরেরা মনে করে তাদের তাড়াতে আসছে। তাই যে হাজার চারেক মানুষকে তিন মাসে কুকুর কামড়েছে তাদের অনেকেই দু'চাকার চালক অথবা আরোহী।
তবে এই ব্যাখ্যা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। কারণ, কেরল শুধু নয়, দেশের সব জায়গাতেই রাস্তার পাশে ময়লার ভ্যাটে খাবারের সন্ধানে জড়ো হয় কুকুরেরা। সেই কারণে রাস্তার কুকুর বাড়ছে সব শহরেই। কিন্তু এরনাকুলামের মতো পরিস্থিতি নেই। কুকুর যেন মানুষকে কামড়াতে মুখিয়ে আছে। সব কুকুর কি পাগল হয়ে গেল, প্রশ্ন ঘুরছে স্থানীয়দের মুখে।
ডুয়ার্সের রাস্তায় পড়ে চিতাবাঘের রক্তাক্ত দেহ! ফোটোশ্যুটও করে নিলেন কেউ কেউ