
শেষ আপডেট: 6 November 2023 20:23
সুভাষ চন্দ্র দাশ, ক্যানিং
গ্রামে সমস্ত স্ট্রিট লাইট জ্বলত না। সন্ধে হলে অন্ধকারে ডুবে যেত রাস্তা। হাঁটাচলা করতে অসুবিধায় পড়তে হত বাসিন্দাদের। এবারের বর্ষায় সাপের উপদ্রবও বেড়েছিল। তাই সমস্যার কথা নবনির্বাচিত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যকে জানিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। পঞ্চায়েত সদস্যের একক প্রচেষ্টায় দীপাবলির আগে আলোকিত হয়ে উঠল গোটা গ্রামের রাস্তা।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তী ব্লকে চুনাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে পড়ে বড়িয়া মুক্তরাম সরদারপাড়া। এবছর পঞ্চায়েত ভোটে সেখান থেকেই তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছেন বাপ্পাদিত্য হাউলী। তিনি নিজে এই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় এলাকার মানুষের অসুবিধার কথা বুঝেছিলেন। তাই গ্রামের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো কাজ করে দেখালেন তিনি।
রাস্তার দু'ধারে ৬০ টি ল্যাম্পপোস্ট। প্রতিদিন সন্ধেয় সেই রাস্তা অন্ধকারে ডুবে যেত, সেখানে এখন ঝলমল করছে আলো। তাতে গ্রামবাসীরাও খুশি। স্থানীয় বাসিন্দা বিমল সরদার বলেন, ''বর্ষার শুরু থেকেই বিষধর সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছিল। অন্ধকারে রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে হলে ভয় পেতাম। সমস্যার সমাধানের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বাপ্পাদিত্যকে জানিয়েছিলাম। এভাবে তিনি উদ্যোগী হওয়ায় আমরা সবাই খুশি।''
চুনাখালি পঞ্চায়েত সদস্য বাপ্পাদিত্য হাউলী বলেন, '' গ্রামবাসীরা আলোর দাবি করেছিলেন। তাদের দাবি পূরণের চেষ্টা করেছি মাত্র।'