
শেষ আপডেট: 5 June 2023 17:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বালেশ্বরে রেল বিপর্যয়ের পর থেকেই প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী বিভিন্ন সর্বভারতীয় চ্যানলে অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব আওড়েছেন। দ্বিতীয় ইউপিএ জমানায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রক ছেড়েছিলেন। স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন দীনেশ। সেই তিনি রাজ্যসভায় নাটকীয় ইস্তফার পর বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বালেশ্বর বিপর্যয় নিয়ে যখন গেরুয়া শিবিরের কলার তোলা হাবভাব সমালোচনার চক্রব্যূহে ঢুকে গেছে তখন দীনেশ অন্তর্ঘাতের কথা বলছিলেন। সোমবার তাঁকে পাল্টা দিলেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ।
এদিন জয়রাম টুইট করে লেখেন, "সাত মাস দায়িত্বে থাকা এক প্রাক্তন রেলমন্ত্রী অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব বলছেন। ১৮ মাস আগে তিনি সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। কিন্তু এখনও বাংলো খালি করেননি। তিনি লুটিয়েন দিল্লিতে বাংলো রাখতেই এসব তত্ত্ব বলছেন।"
দীনেশ ত্রিবেদী রেলের ভাড়া বাড়িয়ে সংস্কার করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মমতা তাঁকে সরিয়ে মুকুল রায়কে সেই জায়গায় বসিয়েছিলেন। দীনেশের সিদ্ধান্ত পরিমার্জন করেছিলেন মুকুল।
তবে জয়রাম এদিন যা লিখেছেন তা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত অনেকের। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, এতে বিজেপির রাজনৈতিক ডিএনএ আরও বেআব্রু হয়ে গেল। রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ যাওয়ার পর তাঁকে দেড় মাসের মধ্যে আকবর রোডের বাংলো ছাড়তে হয়েছে। কিন্তু দীনেশ দেড় বছর পরেও পড়ে আছেন।
অনেকের মতে, দীনেশ ত্রিবেদী গেরুয়া শিবিরের কাছে নম্বর বাড়াতেই অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব বলে চলেছেন। কিন্তু রেল বোর্ড এসব একবারও বলেনি। তদন্তের ভার গিয়েছে সিবিআইয়ের কাঁধে। তারমধ্যে দীনেশের এহেন বক্তব্যকে মোদীস্তুতি গুজরাতি বাধ্যবাধকতা হিসাবেই দেখছেন অনেকে।
পর্যবেক্ষকদের অনেকে এও বলছেন, এই অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব বলার পিছনে আরও কারণ আছে। প্রথমে একজন প্রাক্তন রেলমন্ত্রীকে দিয়ে তা বলানো হল। এরপর গেরুয়া অনুগতরা ধারাবহিকভাবে বলতে শুরু করবেন একই কথা। তাতে যেটা হবে সেটা হল রেলের দায় ঝেরে ফেলাটা সহজ হয়ে যাবে।
রুজিরাকে ইডির নোটিস, মোদীকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, ক্ষমতা থাকলে গ্রেফতার করুন