
শেষ আপডেট: 22 July 2022 07:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজই শ্রীলঙ্কার (Srilanka) নতুন প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হিসাবে শপথ নিতে চলেছেন দীনেশ গুণাবর্ধনে (Dinesh Gunawardena)।
৭২ বছর বয়সি এই রাজনীতিবিদ সদ্য প্রাক্তন গোটাবায়ে-মাহিন্দা সরকারের বিদেশ এবং শিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন। আপাতত নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমসিঙ্ঘের অধীনে নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি।
২০১৫-২০১৯ পর্যন্ত সিরিসেনা এবং বিক্রমসিঙ্ঘের শাসনকালে যৌথ বিরোধী দলনেতা হিসাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন গুণাবর্ধনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং নেদারল্যাণ্ডে পড়াশোনা করেছেন গুণাবর্ধনে। তাঁর বাবা ফিলিপ গুণাবর্ধনে শ্রীলঙ্কার সমানতন্ত্রের জনক হিসবে পরিচিত ছিলেন।
কে এই তরুণী? ফ্যাশন ডেস্টিনেশন বানালেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি ভবনকে
ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন দীনেশের বাবা ফিলিপ এবং মা কুসুমা গুনবর্ধনে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শ্রীলঙ্কা (তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশ, সেইলন) থেকে পালিয়ে ভারতে চলে এসেছিলেন তাঁরা। সেই সময় ভারতে পুরোদমে চলছে ইংরেজ-বিরোধী কার্যকলাপ। তাতেই জড়িয়ে পড়েন ফিলিপ এবং কুসুমা। ১৯৪৩ সালে ব্রিটিশ ইন্টেলিজেন্সের হাতে গ্রেফতার হনা দুজনে। বর্তমান মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে রাখা হয় তাঁদের। ১ বছর পর যুদ্ধ শেষ হলে শ্রীলঙ্কায় ফেরত পাঠানো হয় তাঁদের। স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেওয়ার জন্য শ্রীলঙ্কায় তাঁদের বাড়িতে গিয়ে ব্যাক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে এসেছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু।
১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ রাজত্ব থেকে শ্রীলঙ্কার মুক্তির পর সেদেশের সংসদের সদস্য হন ফিলিপ ও কুসুমা। ১৯৫৬ সালে জন্মানো পিপলস রেভোলিউশন গর্ভনমেন্টের একজন প্রতিষ্ঠাতা নেতা ও মন্ত্রীপরিষদের সদস্য ছিলেন ফিলিপ। বাবার মতোই স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ছিল দীনেশের। ভারতের সঙ্গে তাঁর এই যোগাযোগ নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত শ্রীলঙ্কার নয়া প্রধানমন্ত্রী। ২২ বছরেরও বেশি সময় ধরে শ্রীলংকার মন্ত্রিসভার একজন ক্ষমতাশালী সদস্য হিসাবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার ব্যাপারে কাজ করে গেছেন তিনি।