
শেষ আপডেট: 8 November 2023 19:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: ঘন জঙ্গলে ঘেরা ছিল এলাকা। জঙ্গলের মাঝখানে ছিল একটি ছোট মন্দির। এখানে মৃতদেহ পোড়াতে আসতেন স্থানীয়রা। এই জঙ্গল ছিল দিসেরগড়ের মহাশ্মশান। তবে ১৯৮৪ সালের পর সমস্তটাই বদলে যায়।
মন্দিরের সেবায়েত কিশোর আচার্য জানিয়েছেন, জঙ্গলে ঘেরা ছিল এই এলাকা। এখানে একটি ছোট মাটির মন্দির ছিল। ১৯৮৪ সালে কুলটি বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক মানিকলাল আচার্য দেবীর স্বপ্নাদেশ পান। এরপরে তাঁর উদ্যোগে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়। সেই থেকে এখানে দেবীর পুজো হয়ে আসছে।
কিশোরবাবু আরও জানিয়েছেন, এখানে দেবীর নিত্যপুজো হয়। মাঘী সপ্তমীর দিনে হয় দেবীর বাৎসরিক পুজো। প্রত্যেক দিনই ভক্তরা দূরদূরান্ত থেকে এই মন্দিরের পুজো দিতে আসেন। কালীপুজোর দিন হয় বিশেষ পুজোর আয়োজন। তখন দেবীকে ছিন্নমস্তা রূপে পুজো করা হয়।
স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, এই মন্দিরের দেবী খুবই জাগ্রত। তাই মনস্কামনা পূরণ করতে অনেকে আসেন। পুজোও দেন। সেজন্য অবশ্য নির্দিষ্ট কোনও দিন নেই। ভক্তরা যেকোনও সময়ে এই মন্দিরে এসে পুজো দিতে পারেন।
এমনই এক ভক্ত কুসুম কুণ্ড জানান, তিনি গত একবছর ধরে এই মন্দিরে আসছেন। পরিবারে অশান্তি চলছিল। দেবীর কাছে শান্তির কামনায় পুজো দিয়েছিলেন। তার পর থেকে অনেকটা অশান্তি দূর হয়েছে। এবারও কালীপুজোয় তিনি দেবীর কাছে পুজো দিতে আসবেন।