
অবস্থানের ছবি
শেষ আপডেট: 21 October 2024 17:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থ্রেট কালচারের অভিযোগ উঠল। জুনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের একাংশের অবস্থান ও বিক্ষোভের জেরে বন্ধ হাসপাতালের পরিষেবা।
থ্রেট কালচার তো বটেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে আগেই হস্টেল থেকে আট জন জুনিয়র ডাক্তারকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তাঁরাই এবার পাল্টা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থ্রেট কালচারের অভিযোগ আনলেন। অ্যাকাডেমিক বিল্ডিংয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বহিষ্কৃতরা।
হাসপাতালের ইন্টার্নদের অভিযোগ, সমস্ত স্টাফ, ছাত্র সবাই থ্রেট কালচারের শিকার হয়েছেন। কিছু বললেই সাসপেন্ড করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। অন্যদিকে হাসপাতালের অধ্যক্ষের দাবি, অভিযোগ প্রমাণ হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।
থ্রেট কালচার ও প্রশ্নপত্র ফাঁসে অভিযুক্তদের সোমবারের মধ্যে হস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কলেজ কাউন্সিল। হাসপাতালের অধ্যক্ষ উৎপল দাঁ বলেন, 'বিভিন্ন রকম প্রশ্ন ফাঁস করছে। অন্য় স্টুডেন্টদের থ্রেট করছে। এটা নিয়ে একটা তদন্ত হয়েছিল। ওরা এটাকে ইস্যু করছে। চোরের মায়ের বড় গলা। ওরা আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারলে চাকরি ছেড়ে দেব।'
প্রিন্সিপাল তথা ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজে কর্তৃপক্ষে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ১২ দফা দাবি নিয়ে এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচির করেন হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তার-সহ স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মচারীরা। তাঁদের দাবি মা ও শিশু প্রকল্পের কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে হাসপাতালে।
দুপুরে মেডিক্যাল কলেজে আসেন, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমাশাসক এবং হাসপাতালের সুপার। খুলে দেওয়া হয় তালা।
চাপে পড়ে ৮ জুনিয়র ডাক্তারকে হস্টেল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়। এরপরই গোটা ব্যাপারটা নিয়ে দ্রুত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুখ্যসচিবকে হস্তক্ষেপ করতে চিঠি পাঠিয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্তটরস ফোরাম। বলা হল, থ্রেট কালচারে যুক্ত সকলের বিরুদ্ধে যেন দ্রুত পদক্ষেপ করে সরকার। শুধু তাই নয় বারবার হাসপাতালগুলিতে সন্ত্রাস, অব্যবস্থার পরিস্থিতি তৈরির জন্য পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটছে। এধরনের ঘটনা যাতে বন্ধ করা যায় তার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করারও আর্জি জানানো হয়েছে সংগঠনের তরফে।