দ্য ওয়াল ব্যুরো : ঠিক ২৪ ঘন্টা আগে দিল্লি থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল, আমেরিকায় পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। কিন্তু তার পরেই দুটি ঘটনায় পাকিস্তানের ওপরে অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়েছে ভারত। প্রথমত পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা কাশ্মীরে তিন পুলিশকর্মীকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করেছে। দ্বিতীয়ত কাশ্মীরের প্রতি সংহতি জানানোর নাম করে হিজবুল জঙ্গি বুরহান ওয়ানির নামে ডাকটিকিট বার করেছে পাকিস্তান। শুক্রবার দিল্লি থেকে বলা হয়েছে, এই দুটি ঘটনার পিছনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শয়তানি ছক কাজ করছে। তাই আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসব না।
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ বলেছেন, ক্ষমতায় আসার কয়েক মাসের মধ্যে ইমরানের মুখোশ খুলে গিয়েছে। এই অবস্থায় দুই দেশের আলোচনা অর্থহীন। ইমরানের অনুরোধেই নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার পরে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাসুদ কুরেশির সঙ্গে সুষমা স্বরাজের বৈঠকের ব্যবস্থা হয়। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, এই আলোচনার অর্থ ফের ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু হওয়া নয়।
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেছেন, ইমরান যখন আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন, তখন আমরা ভেবেছিলাম পাকিস্তানের নীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে চলেছে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, আলোচনায় বসতে চাওয়ার পিছনে তাঁর কোনও মতলব কাজ করছে।
২০১৫ সালে জঙ্গিরা কাশ্মীরে সেনা ছাউনিতে হামলা চালিয়ে ১৯ জন জওয়ানকে হত্যা করে। তার পরে ভারতও পাকিস্তানে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করার জন্য সার্জিকাল স্ট্রাইক চালায়। তখন থেকে ভারত-পাকিস্তানের আলোচনা বন্ধ আছে।