
শেষ আপডেট: 22 February 2024 08:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কারেন্ট নেই সন্দেশখালিতে। রাস্টায় রাস্তায় বিশাল পুলিশবাহিনী। ধামাখালি থেকে মালঞ্চ পুলিশ পিকেটে ভর্তি। বুধবার সেই দুপুর থেকে টানা সন্দেশখালিতে অ্যাকশন মোডে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। গভীর রাতে বাইক নিয়ে টহল দিতে দেখা গেছে তাঁকে। মাঝরাতে খুলনা ঘাটের দিকে যেতে দেখা গেছে রাজীব কুমারকে। সেদিকে কেন তিনি গিয়েছিলেন কেউ জানে না। পুলিশের এই অতিসক্রিয় ভূমিকা দেখে কার্যত সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে বাড়ছে চাপানউতর। বড় কিছু কি ঘটতে চলেছে সন্দেশখালিতে, ফিসফাস শুরু হয়েছে।
এলাকার নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার আগে এডিজি (সাউথ বেঙ্গল) সুপ্রতীম সরকার ও বসিরহাট পুলিশ জেলার এসপি হোসেন মেহেদি রহমানের সঙ্গে একপ্রস্ত বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের ডিজি। তারপরই কখনও নদীপথে লঞ্চে করে, কখনও টোটোয় চেপে গ্রামে গ্রামে ঘুরেছেন রাজীব কুমার। বুধবার দুপুরে ধামাখালি থেকে লঞ্চে করে সন্দেশখালিতে পৌঁছন ডিজি-সহ পদস্থ পুলিশ কর্তারা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলার প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতেও ডিজির এই সফর বলে জানা গেছে। জানা গেছে, গতকাল গভীর রাত অবধি বাইক নিয়ে সন্দেশখালির আনাচ কানাচে ঘুরেছেন রাজীব কুমার। খুলনা ঘাটের দিকেও নাকি যেতে দেখা গেছে তাঁকে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে উত্তপ্ত সন্দেশখালি। এই প্রথম সেই এলাকায় গেলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি। সন্দেশখালিতে গিয়ে প্রথমেই থানায় চলে যান ডিজি। ইতিমধ্যেই নবান্ন ১০ পুলিশকর্তার একটি টিম তৈরি করে দিয়েছে। তাঁরাও গ্রামে গ্রামে ঘুরে অভিযোগ নিচ্ছেন।
শেখ শাহজাহানের ডেরায় অভিযান চালাতে গিয়ে ৫ জানুয়ারি আক্রান্ত হয়েছিলেন ইডির অফিসাররা। সেই ঘটনার ৪৭ দিন পর সন্দেশখালিতে এসেছেন রাজীব কুমার। মূলত, নদী সংলগ্ন দ্বীপগুলিতে নজরদারি চালান তিনি। তারপর ফিরে আসেন বাংলোয়। রাত ১০টা নাগাদ ফের বের হন তিনি। টোটোয় করে এলাকা ঘোরেন। তাঁর সঙ্গে বাইকে চড়়ে এলাকায় ঘোরাঘুরি করেন কয়েকজন পুলিশও। পুলিশকে গভীর রাত পর্যন্ত সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায় মূলত তিন চারটি জায়গায়। বৃহস্পতিবার সকালেও দেখা গেছে রাস্তায় রাস্তায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশবাহিনী। ধামাখালি থেকে মালঞ্চ অবধি রাস্তা পুলিশ পিকেটে ভর্তি। সন্দেশখালিতে কোনও বড় অপারেশন হতে চলেছে কিনা সে নিয়ে এখন কানাকানি চলছে।