
শেষ আপডেট: 16 December 2023 12:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বর্ধমান: শুক্রবার রাতে বর্ধমানের ছাদনাতলা বাংলার সঙ্গে মিলিয়ে দিল দিল্লি, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ডকে। বর্ধমানের কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির প্রাঙ্গণে বসেছিল গণবিবাহের আসর।
সেখানেই এরাজ্যের ছেলের সঙ্গে ভিন রাজ্যের মেয়ের কিংবা ভিন রাজ্যের ছেলের সঙ্গে এরাজ্যের মেয়ের আনুষ্ঠানিক পথচলার সূচনা হল। ঘর বাঁধলেন ১২১ জোড়া নবদম্পতি।
গণবিবাহ হলেও আয়োজনে ত্রুটি রাখেননি উদ্যোক্তারা। নবদম্পতিকে সোনার আংটি, নাকছাবির পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে কালার টিভি, বিছানা, সাইকেল, সেলাই মেশিন-সহ আরও অনেক দানসামগ্রী।
এছাড়াও তাঁদের এক মাসের মতো চাল, ডাল, আটা, আলু-সহ রেশন সামগ্রীও দিয়েছেন উদ্যোক্তারা। এখানেই শেষ নয়, বর-কনে দু’পক্ষের ৫০ জন করে আত্মীয়র জন্য ভাত, মুরগির মাংস, তরকারি, চাটনি, মিষ্টিরও আয়োজন করেছিলেন উদ্যোক্তারা।
শুক্রবারের এই গণবিবাহ আসরে চার হাত এক হয় ১৪ জোড়া মুসলিম, ২ জোড়া খ্রিস্টান দম্পতিরও। বাকিরা সবাই হিন্দু। গণবিবাহকে ঘিরে সকাল থেকেই সেজে উঠেছিল কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির প্রাঙ্গণ। গভীর রাত পর্যন্ত চলে বিয়ের অনুষ্ঠান। ধর্মীয় রীতি মেনে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য পুরোহিতদের পাশাপাশি ছিলেন কাজীরাও।
কাউন্সিলর থাকাকালানী কঙ্কালেশ্বরী কালীবাড়ি গণবিবাহ কমিটি তৈরি করে গণবিবাহের শুরু করেছিলেন খোকন দাস। এবারে এই গণবিবাহ ১০ বছরে পা দিল। খোকনবাবু বর্তমানে এলাকার বিধায়ক। তাঁর কথায়, “আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পাত্র পাত্রীদের জন্যই এই গণবিবাহের আয়োজন। এবারে গণবিবাহে দিল্লি-রাজস্থান-ঝাড়খণ্ডের তরুণ, তরুণীরাও ছিল।”