
শেষ আপডেট: 15 November 2022 13:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৮ মে-র রাতেই 'প্রেমিক' আফতাবের হাতে খুন হন শ্রদ্ধা ওয়াকার (Delhi Murder Case)। কিন্তু তার পরেও শ্রদ্ধা ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে অ্যাক্টিভ থাকতেন! কীভাবে সম্ভব? নিজের ঘাড়ে যাতে এই খুনের দোষ এসে না পড়ে তাই বিস্তর ফন্দিফিকির আঁটে দিল্লি হত্যাকাণ্ডের খুনি আফতাব আমিন পুনাওয়ালা (Aftab Ameen Poonawala)! শ্রদ্ধা মৃত বুঝতে দিতে চায়নি আফতাব। তাই শ্রদ্ধার (Shraddha Walkar) ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে দিনের পর দিন গল্প করে গেছে সে।
দিল্লির নৃশংস খুনের ঘটনায় পরতে পরতে উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য। পেঁয়াজের খোসার মতো রহস্যের জট খুলছে পুলিশ। গত শনিবার লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধাকে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়ার পরেই আফতাবের ফোন-ল্যাপটপ থেকে শুরু করে যাবতীয় ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।
সেই সূত্র ধরেই পুলিশ জানতে পারে একাধিক তথ্য। যা এই খুনের ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছে। পুলিশ জানতে পেরেছে, শ্রদ্ধার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করত আফতাব। সেখান থেকেই শ্রদ্ধার বন্ধুদের সঙ্গে নানান গল্প করত। কেউ বুঝতেই পারেননি যে ওই মেসেজগুলো শ্রদ্ধা পাঠাচ্ছেন না। বন্ধু ভেবে কথাও বলেছে।
চলতি বছরের ১৮ মে শ্রদ্ধাকে গলা টিপে খুন করে আফতাব। তারপর তাঁর দেহ ৩৫ টুকরোয় কেটে ফেলে। সেই টুকরোগুলি রাখার জন্য বাড়ির পাশের দোকান থেকেই একটি নতুন ৩০০ লিটারের রেফ্রিজারেটরও কিনেছিল আফতাব। ওই রেফ্রিজারেটরেই শ্রদ্ধার শরীরের কাটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রেখে দিয়েছিল সে। তারপর ১৮ দিন রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেয় সেই টুকরো। কেন শ্রদ্ধাকে খুন করেছিল আফতাব? পুলিশি জেরায় সম্পর্কের টানাপড়েনের কথা জানায় আফতাব।
আফতাবের সঙ্গে ঘর ছাড়েন ‘স্বাধীনচেতা’ শ্রদ্ধা! তবে ভাল ছিলেন না মোটেই, বলছেন বন্ধুরাও