
শেষ আপডেট: 29 March 2023 05:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে অনেক কথাই শোনা যায়। ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম-হোয়াটসঅ্যাপে আসক্ত হয়ে পড়ার কারণে তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের নানা মানসিক সমস্যায় ভোগার কথা উঠে এসেছে বিভিন্ন সমীক্ষায়। কিন্তু সেই সোশ্যাল মিডিয়ার তৎপরতাতেই প্রাণ বাঁচল ২৫ বছরের এক যুবকের। অবসাদগ্রস্থ ওই যুবক ফেসবুকে লাইভ (facebook live) করে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছিলেন (man tried to end his life)। ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তা ধরতে পেরেই সঙ্গে সঙ্গে খবর পাঠায় পুলিশের কাছে। তারপর মাত্র ৩ মিনিটের মধ্যে ওই যুবকের বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশ। তাঁদের চেষ্টাতেই শেষ পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে গেছেন ওই যুবক।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার উত্তর-পূর্ব দিল্লির (Delhi) নন্দনগরী এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বেশ কয়েকদিন ধরেই অবসাদে ভুগছিলেন ২৫ বছর বয়সি ওই যুবক। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। অবসাদের চিকিৎসার জন্য দেওয়া ওষুধ খেয়েই আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। উত্তর-পূর্ব দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ জয় টিরকে জানিয়েছেন, সোমবার সকাল ৯.০৬ নাগাদ ফেসবুকের তরফে তাঁদের কাছে একটি নোটিফিকেশন আসে। তা থেকেই জানা যায়, ফেসবুক লাইভে এসে ওই যুবক জানিয়েছেন, 'চিরকালের জন্য বিদায়। আজকের পর এই চোখ আর কখনও খুলবে না।' ওই যুবকের প্রোফাইলের সঙ্গে থাকা দুটি মোবাইল নম্বরও পুলিশের সঙ্গে শেয়ার করে ফেসবুক।
এরপরেই দিল্লি পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফিউশন এন্ড স্ট্র্যাটেজিক অপারেশন ইউনিটের তরফে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় নন্দননগরী থানার স্টেশন হাউস অফিসারকে। কাল বিলম্ব না করে মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই ওই যুবকের বাড়িতে পৌঁছে যান স্টেশন হাউস অফিসার সহ অন্য পুলিশকর্মীরা। দেখা যায়, আচ্ছন্ন অবস্থায় বিছানায় পড়ে রয়েছেন ওই যুবক। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে এমারজেন্সি রেসপন্স ভেহিকেলে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসার পর সুস্থ হলে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় ওই যুবককে।
পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসক তাঁকে প্রেসক্রিপশনে যে সমস্ত ওষুধ খেতে লিখে দিয়েছিলেন, তার মধ্যে থেকেই একসঙ্গে প্রায় ৪০টি ওষুধ খেয়ে নিয়েছিলেন ওই যুবক। সেগুলির ফাঁকা ফয়েল উদ্ধার করা হয়েছে ওই যুবকেরই ঘরের ভিতর ডাস্টবিন থেকে। তবে শেষ পর্যন্ত যে তাঁকে প্রাণে বাঁচানো গেছে, তাতেই খুশি পুলিশকর্মীরা এবং ওই যুবকের বাড়ির লোকজন।
হরিদেবপুরে ফাঁকা ঘরে ভাড়াটিয়া মহিলাকে ধর্ষণ! গ্রেফতার বাড়িওয়ালার ছেলে