
শেষ আপডেট: 26 June 2019 06:52
মঙ্গলবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গুলকেশ তাঁর বন্ধু দলবীরকে ঘটনার রাতে ২৪ থেকে ২৫ বার ফোন করে বাড়ির বাইরে আসতে বলেন। দিল্লির জা়কিরার কাছে রেলওয়ে স্টেশনে দলবীরকে নিয়ে গিয়ে প্রথমে মাথায় ইঁট দিয়ে থেঁতলে দেয় গুলকেশ। এরপর অচৈতন্য দলবীরকে রাম রোডের প্রেমনগর ফটকের কাছের রেলওয়ে ট্র্যাকে শুইয়ে দেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই রেলে কাটা পড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় দলবীর। এরপরেই গুলকেশ দিল্লি পুলিশকে ফোন করে জানান, তিনি একজনের ছিন্নভিন্ন দেহ দেখতে পেয়েছেন রেললাইনে! পুলিশ এসে তদন্ত শুরু করে। গুলকেশের মোবাইলের কললিস্ট খতিয়ে দেখতেই ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে পড়ে।
গুলকেশ জানান দলবীরের স্ত্রী পূজা(নাম পরিবর্তিত)র সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল। গুলকেশের বয়ান অনুযায়ী, পূজা তাঁকে ভালোবাসেন বললেও, তিনি বিবাহিতা হওয়ায় সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে গুলকেশের সাথে বিয়েতে সম্মতি দিতে পারছিলেন না। সে কারণেই এই চরম সিদ্ধান্ত নেন গুলকেশ। এই ঘটনায় পূজার কতটা ভূমিকা আছে সে ব্যাপারেও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।