দ্য ওয়াল ব্যুরো : দিল্লিতে একটি জিমের মালিক ছিলেন হেমন্ত লাম্বা। তিনি নিজে ছিলেন আন্তর্জাতিক মানের বডি বিল্ডার ও ফিটনেস এক্সপার্ট। তাঁর বান্ধবী থাকতেন রাজস্থানের হনুমানগড়ে। দিল্লির রোহিণী এলাকায় তিনি ও তাঁর বাবা এক আত্মীয়ের সঙ্গে বাস করতেন। তাঁর বয়স ছিল ২২। গত ৭ ডিসেম্বর হেমন্ত মেয়েটির মাথায় চারবার গুলি করেন। পরে খুন করেন এক ট্যাক্সি ড্রাইভারকে। শেষে চোরাই ট্যাক্সি বেচতে গিয়ে ধরা পড়েন।
বান্ধবীকে নিয়ে হরিয়ানার রেওয়ারি জেলায় গিয়েছিলেন হেমন্ত। সেখানেই মেয়েটিকে খুন করেন। নির্জন জায়গায় দেহটি ফেলে দিয়ে তিনি ওঠেন ট্যাক্সিতে। পরে তিনি রিভলভার বার করে ট্যাক্সিওয়ালাকে হুমকি দেন। তাঁকে জয়পুরে নিয়ে যেতে বলেন। পরে সে ট্যাক্সিচালককেও গুলি করে মারেন।
রেওয়ারি জেলার পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট জাম্মাল খান বলেন, ট্যাক্সি ড্রাইভারকে খুন করে হেমন্ত নিজে গাড়ি চালিয়ে পালান গুজরাতে। সেখানে ভালসাদ নামে এক জায়গায় গাড়িটি বিক্রি করতে যান। স্থানীয় কার ডিলার অল্পেশ লক্ষ করেন, ওই ব্যক্তি তাড়াতাড়ি গাড়ি বেচে পালাতে চাইছে। তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি দেখেন গাড়ির পিছনে একটি ফোন নম্বর লেখা আছে। তিনি সেই নম্বরে ফোন করেন। ফোন ধরেন ট্যাক্সি ড্রাইভারের স্ত্রী। তাঁর সঙ্গে কথা বলে অল্পেশ পুরো ব্যাপার আন্দাজ করে নেন। তিনি পুলিশকে ফোন করেন। পুলিশ এসে হেমন্তকে গ্রেফতার করে।