
শেষ আপডেট: 27 February 2020 18:30
দেশের রাজধানী শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে দিল্লি পুলিশ যে ব্যর্থ সম্প্রতি বারবার সেই অভিযোগ উঠেছে। কখনও জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশি বাড়াবাড়ি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তো কখনও জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে দুষ্কৃতীদের হামলার ঘটনা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগের মাত্রা আরও তীব্র হয় উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে গোষ্ঠী সংঘর্ষ ছড়ানোর পর। কেন না দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী সমস্ত রকম ইনপুট দিয়ে সাহায্য করে দিল্লি পুলিশকে। তার পরেও হিংসার আঁচ আগে কেন পুলিশ পেল না এবং ব্যবস্থা নিতে পারল না সেটাই আশ্চর্যের। এমনকি পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগও উঠছে।
সার্বিক এই পরিস্থিতিতে দিল্লির পুলিশ কমিশনার পদ থেকে অমূল্য পটনায়েককে সরানোর দাবিও জোরদার হচ্ছিল। এমনিতেই অমূল্যর চাকরি জীবনের মেয়াদ এক মাস আগে ফুরিয়েছে। কিন্তু তার পরেও তাঁকে এক্সটেনশন দেওয়া হয়েছিল। তবে সমালোচনার মুখে পড়ে তাঁকে শেষমেশ সরাতে বাধ্য হলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।
এ ব্যাপারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লিতে হিংসার ঘটনা রুখতে পুলিশের ভূমিকায় অনেকেই অসন্তুষ্ট। পুলিশ কমিশনারের উপরেও (পড়ুন অমূল্য পটনায়েক) আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, নতুন কমিশনার নিয়োগের পর পুলিশি ব্যবস্থার উপর মানুষের বিশ্বাস দ্রুত ফিরবে এবং দিল্লিতে শান্তি ও সদ্ভাবের পরিস্থিতি বজায় থাকবে।