
শেষ আপডেট: 9 December 2019 18:30
পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত উন্নাওয়ের নির্যাতিতার বয়ান নিতে হাসপাতালেই বসেছিল আদালত। চিকিৎসকেরা বলেছিলেন, নির্যাতিতা আদালতে হাজিরা দেওয়ার অবস্থায় নেই। দিল্লি হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে এইমসের জয়প্রকাশ নারায়ণ ট্রমা সেন্টারের সেমিনার হলে বসেছিল অস্থায়ী আদালত। সেখানেই হাজির করা হয় গণধর্ষণ কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত বিজেপি প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সিং সেঙ্গার ও আরও এক অভিযুক্ত শশী সিংহকে। জানা যায়, রুদ্ধদ্বার সেই শুনানিতে দুই অভিযুক্তকে সনাক্তও করেছিলেন নির্যাতিতা। সিবিআই জানিয়েছে, নির্যাতিতার বয়ানের পর তাঁর ও তাঁর পরিবার আরও বেশি হুমকি পাচ্ছেন। তাঁরা ‘ক্যাটেগরি এ’ পর্যায়ে অর্থাৎ চূড়ান্ত হুমকি শিকার। খুব তাড়াতাড়ি তাঁদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতেও আদালতে আর্জি জানায় সিবিআই।
২০১৭-র ৪ জুন কুলদীপ ও তার দলবল যে তরুণীকে ধর্ষণ করেছে, তার প্রমাণ মিলেছে। ২০১৮-র এপ্রিল থেকে উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলে বন্দি কুলদীপ। রায়বরেলীতে নিগৃহীতা ও তাঁর পরিবারকে ট্রাক চাপা দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ধর্ষণ ও ট্রাক চাপা দিয়ে নিগৃহীতাকে সপরিবার হত্যার চেষ্টার পাঁচটি মামলাই উত্তরপ্রদেশ থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বিচারক ধর্মেশ শর্মার বেঞ্চ জানিয়েছে, কুলদীপ সেঙ্গারের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ বি, ৩৬৩, ৩৬৬, ৩৭৬ ও পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। চার্জ গঠন করা হয়েছে আর এক অভিযুক্ত শশী সিংয়ের বিরুদ্ধেও।