
দুর্ঘটনাগ্রস্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের বগি
শেষ আপডেট: 18 June 2024 12:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আশঙ্কাই সত্যি হচ্ছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। সোমবার ৯ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছিল। মঙ্গলবার সেই সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ১০। সোমবার রাতেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কলকাতার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এখনও বেশ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাই আতঙ্ক এখনই কমছে না।
যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে ৭ জনকে ইতিমধ্যেই শনাক্ত করা গেছে। বাকি ৩ জনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মৃতদের মধ্যে তিনজন যে রেলকর্মী তা সোমবারই রেলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই ট্রেন দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। অনেকেই এই মুহূর্তে উত্তরবঙ্গের হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসাধীন। তবে আশা করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আর বাড়বে না।
সোমবার বিকেলেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গে পৌঁছেছিলেন। তিনি আহতদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালেও যান। মমতা জানিয়েছিলেন, বেশিরভাগ আহতরাই স্থিতিশীল রয়েছেন। তাই চিন্তার কিছু নেই। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী এও জানান, রাতে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের অক্ষত যাত্রীরা শিয়ালদহে নামার পরে যাতে সহজে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে জন্য একাধিক সরকারি বাস থাকবে শিয়ালদহ স্টেশনে। সেই মতোই দুর্ঘটনাগ্রস্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস শিয়ালদহে পৌঁছলে যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
সোমবার মধ্যরাতের পর সওয়া তিনটে নাগাদ শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছয় দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেন। যাত্রীদের আসার জন্য স্টেশনে অপেক্ষা করছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী এবং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শিয়ালদহের ডিআরএম দীপক নিগম এবং রেলের অন্যান্য অফিসাররাও। ট্রেন এসে পৌঁছনোর পরে যাত্রীরা ট্রেন থেকে নামেন, তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় জল ও খাবার।