
শেষ আপডেট: 30 June 2019 18:30
‘‘তিন বছর কত তাড়াতাড়ি কেটে গেল। তবে চিন্তা নেই, যেখানেই যাই না কেন আমার ব্যাগে থাকে মিনি-ইন্ডিয়া। সেটাই দেখাবো আপনাদের,’’ নেভি ব্লু জমির উপরে সাদা ব্লক প্রিন্টের শাড়িতে টুইটার ভিডিওর শুরুতেই ভারতের প্রতি একরাশ ভালোবাসার হাসি খেলে গেল মেরির মুখে। স্যুটকেস খুলতে প্রথমে বার হলো তিন-চার রকমের শাড়ি। সুতি, পিওর সিল্ক থেকে মেরির সবচেয়ে পছন্দের কাঞ্জিভরম। পরের চমক দার্জিলিঙের চা। গোটা একটা বাক্সই সঙ্গে নিয়ে নিয়েছেন ডিসিএম। কাজের ফাঁকে, অবসরে সেই চা-ই তাঁকে মনে করাবে ভারতের কথা। পরের পছন্দ গুলাব-জামুন। এ দেশে এসে মিষ্টি না নিলে কি আর চলে! পছন্দের ব্র্যান্ডের আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্ট নিতে ভোলেননি মেরি। তবে সব কিছুর মধ্যে তাঁর সবচেয়ে পছন্দের জিনিসটি নিতে ভোলেননি তিনি। সেটা হলো হাতে বানানো নানা রকম জাঙ্ক জুয়েলারি। শাড়ির সঙ্গে মানানসই গয়না ভর্তি ব্যাগ পরম যত্নে স্যুটকেসে ভরেছেন মেরি।
https://twitter.com/USAndIndia/status/1145583095145385984
দিল্লিতে আমেরিকার দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন মেরি কে লস কার্লসন। এর আগে ওয়াশিংটন ডিসির একজিকিউটিভ সেক্রেটারিয়াটের প্রিন্সিপাল ডেপুটি একজিকিউটিভ সেক্রেটারি ছিলেন তিনি। ২০১৬ সালে ডিসিএম পদে নয়াদিল্লির মার্কিন দূতাবাসে কাজ শুরু করেন। সেই থেকেই ভারতের সঙ্গে তাঁর এক আত্মীয়তার টান। পেশার খাতিরে ভারতে এলেও, কখন যে এই দেশ ও দেশবাসী তাঁর আপনজন হয়ে ওঠে সেটা মনে হয় নিজেও বুঝতে পারেননি মেরি। তাঁর একাধিক টুইট, ভিডিও-তে বারে বারেই ভারতের প্রতি ভালোবাসা, সহমর্মিতা ঝরে পড়েছে।
শাড়ির প্রতি তাঁর বিশেষ ভালোবাসার কথা আগেই জানিয়েছিলেন মেরি। ভারতের ৭০-তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে কোন শাড়িটি পরবেন, তা জানতে #Sareesearch লিখে টুইটারে নেটিজেনদের প্রশ্ন করেছিলেন তিনি। একমাস ধরে নেটিজেনদের ভোটাভুটির পরে লাল রঙা কাঞ্জিভরমেই অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল মেরিকে। বলেছিলেন, সুযোগ পেলেই শাড়িতে নিজেকে সাজাতে ভালোবাসেন তিনি। এমনকি অফিসেও শাড়ি পরে যেতে পছন্দ করেন।