
শেষ আপডেট: 30 November 2023 19:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো, মুর্শিদাবাদ: ডোমকলের বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে বিপুল অর্থ পাওয়ার পর বড়ঞার কুলি আল হিলাল মিশনে তল্লাশি শেষ করল সিবিআই। ওই বিএড ও ডিএলএড কলেজ তল্লাশি চলার সময়েই আনারুল হক আনসারি ওরফে ঝন্টুকে সেখানে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
সূত্রের খবর, ঝন্টু আনসারির ছোট ছেলে চঞ্চল আনসারির মোবাইল সিজ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকেই বেশ কিছু ওএমআর শিট ও একটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়। ওই ডায়েরিতে চাকরি প্রার্থীদের টাকা-পয়সা লেনদেনের কথা উল্লেখ রয়েছে বলে সূত্রের খবর। ওই ডায়েরি কলেজে তাদের অফিসে রাখা ছিল।
বড়ঞার কুলিতে সিবিআই অভিযান চালায় সিবিআই। সন্ধের নামার পরে শেষ হয় অভিযান। জানা গিয়েছে, বিকেলে প্রায় আটঘণ্টা ধরে আনসারিকে ম্যারাথন জেরা করে সিবিআইয়ের প্রতিনিধিদল। সেখান থেকে অনেক নথিপত্র সংগ্রহ করে। বড়ঞার কুলি চৌরাস্তা এলাকায় রয়েছে এই টির্চাস ট্রেনিং কলেজ।
বৃহস্পতিবারে সকাল সকাল আদাজল খেয়ে নেমে সিবিআই। সাত সকালে কলকাতার দুই হেভিওয়েট তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। একই সঙ্গে জেলাতেও কোমর বেঁধে নেমে পড়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। মুর্শিদাবাদ ও কোচবিহারেও তল্লাশি চলে। ডোমকলের বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে সকাল সকাল পৌঁছে যান সিবিআই আধিকারিকরা।
এদিন সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ প্রথমে বড়ঞার কুলিতে ব্যবসায়ী ঝন্টু শেখ নামে একজনের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, এই ঝন্টু শেখ নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত কুন্তল ঘোষের ঘনিষ্ঠ ছিল। কুন্তলকে জেরা করেই ঝন্টুর নাম উঠে আসে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। ঝন্টু শেখের নামে একাধিক বিএড কলেজ আছে। জেলবন্দি জীবনকৃষ্ণ সাহার সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে জানা গেছে।