Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকের

ভোর রাতে নবান্ন চত্বরে ডিএ আন্দোলনকারীরা, ধর্নায় বসা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তুমুল ঝামেলা

শুক্রবার ভোররাতেই নবান্নের কাছে পৌঁছে যান আন্দোলনকারীরা।

ভোর রাতে নবান্ন চত্বরে ডিএ আন্দোলনকারীরা, ধর্নায় বসা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তুমুল ঝামেলা

শেষ আপডেট: 22 December 2023 10:40

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই নবান্ন চত্বরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল। ধর্নায় বসা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ালেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। গতকালই কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল নবান্ন চত্বরে আন্দোলনে বসতে পারবেন যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। রাতে ধর্নায় বসতে পুলিশ বাধা দিলে তাঁরা জানান সকালেই আসবেন। শুক্রবার ভোররাতেই নবান্নের কাছে পৌঁছে যান আন্দোলনকারীরা।

পুলিশ প্রথমে ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলনকারীদের আটকানোর চেষ্টা করে। তাতেই ঝামেলা শুরু হয়। বাধা পেয়ে নবান্নের সামনে রাস্তাতেই বসে পড়েন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের উঠে যাওয়ার জন্য জোর করতে থাকে পুলিশ। তাতেই বাদানুবাদ শুরু হয়। এদিকে নবান্নের সামনে রাস্তায় আন্দোলনকারীরা বসে থাকায় ট্রাফিক আটকে যায়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হাইকোর্ট নবান্নের কাছে বাসস্ট্যান্ডে ধর্নায় বসার অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু পুলিশ তাদের ঢুকতে দিচ্ছে না।

ডিএ আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল ১৯ থেকে ২২ ডিসেম্বর নবান্নর সামনে অবস্থান বিক্ষোভ ও সভা করবেন। তবে এই সভার অনুমতি দেয়নি হাওড়া পুলিশ। তারপরই অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন আন্দোলনকারীরা। মামলা গ্রহণের সময় যদিও বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত মামলাকারীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, 'হাওড়ার যেখানে আপনারা সভা করবেন বলছেন তা অত্যন্ত ব্যস্ত জায়গা। তাই সেখানে সভা করার অনুমতি দেওয়া যাবে না।'

বৃহস্পতিবার বিচারপতি সেনগুপ্ত না বসায় ডিএ আন্দোলনকারীদের মামলা শোনেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। শুনানি শেষে আন্দোলনকারীদের সভা করার অনুমতি দেন তিনি। তবে বিচারপতি জানান,  ৫০০ জন নয়, ৩০০ জন জমায়েত করতে পারবেন নবান্নের সামনে।  ৭২ ঘণ্টা সভা ও অবস্থান করার অনুমতি দেয় হাইকোর্ট।

আন্দোলনকারীদের দাবি, হাইকোর্টের নির্ধারিত জায়গায় বসতে বাধা দিচ্ছে পুলিশ। তাই রাস্তাতেই বসে পড়েছেন তাঁরা। যৌথ মঞ্চের অন্যতম আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছেন, রাতে পুলিশ বসতে দেয়নি। তাই সকালেই তাঁরা এসেছেন। কিন্তু পুলিশ জায়গা দিচ্ছে না। হাইকোর্ট বলেছিল ২ হাজার বর্গফুট জায়গায় সভা ও অবস্থান করা যাবে। সেই জায়গা না পাওয়া অবধি রাস্তাতেই ধর্নায় বসা হবে।

ভোররাত থেকেই নবান্নের সামনের রাস্তায় ধর্না চলছে। বেলা গড়ালেও দেখা যায় আন্দোলনকারীরা সেখানেই বসে আছেন। এদিকে ধর্না তুলতে পুলিশ গেলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তুমুল ঝামেলা শুরু হয়। ভাস্কর ঘোষ বলছেন, "নবান্নের বাসস্ট্যান্ডের কাছে যেহেতু আমাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি, তাই রাস্তায় বসে থাকব আমরা। যারা আমাদের তুলতে আসছে তারাও তো সরকারের হয়েই কাজ করছে। সবই তো সরকারি এখানে, রাস্তাও তো তাই। তাহলে আমরা বসব না কেন?"

ভাস্করবাবুর আরও বক্তব্য, “আমাদের কাছে লিখিত নির্দেশ রয়েছে। ওঁদের যদি কোনও নির্দেশ দিতে হয়, তাহলে সেটা লিখিত আকারেই দিতে হবে। যেহেতু ১১ মাস ধরে নবান্ন আমাদের কাছে যাওয়ার সময় পাননি, তাই বাধ্য হয়ে আমাদের নবান্নের কাছে আসতে হয়েছে।”


```