
শেষ আপডেট: 3 May 2023 06:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মে মাস মানেই কলকাতা সহ গোটা বাংলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা থাকে। সঙ্গে দোসর হয় একাধিক ঘূর্ণিঝড়। চলতি বছরেও তেমন সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে আছড়ে পড়ার (cyclone mocha is coming to Kolkata) সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোখা-র (cyclone mocha)।
জানা গেছে, ১৩ মে থেকেই কলকাতায় শুরু হতে পারে ঝড় বৃষ্টি যা চলবে অন্তত ১৭ মে পর্যন্ত। এর কারণ হিসেবে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া ঘুর্ণিঝড়কেই কারণ হিসেবে দেখছে হাওয়া অফিস। এই ঘুর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে মোখা। এই নাম দিয়েছে ইয়েমেন।
জানা গেছে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ থাকবে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের উপকূল বরাবর। এই ঘুর্ণিঝড়ের জন্য ৬ মে থেকেই তৈরি হবে ঘূর্ণাবর্ত। এই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দক্ষিণ পুর্ব বঙ্গোপসাগরে। তবে, এর থেকে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ যে বাংলার দিকেই থাকবে তা এখনও নিশ্চিত করেনি মৌসম ভবন। যদিও ইউরোপ এবং আমেরিকার বিভিন্ন সংস্থা নিশ্চিত করেছে ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে।
শুক্রবার ৫ মে থেকেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে চলেছে। ৬ মে থেকে দিনের তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা। কর্ণাটক এবং ছত্তীসগড়ে দুটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে ইতিমধ্যেই। এর মধ্যে একটি অক্ষরেখা রয়েছে মধ্যপ্রদেশ থেকে তামিলনাড়ু পর্যন্ত।
প্রসঙ্গত, বুধবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শিলাবৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ। বিকেল বা সন্ধের দিকে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গেও বুধবার এবং বৃহস্পতিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে। পার্বত্য এলাকাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন জায়গাতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। শুক্রবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে পার্বত্য জেলাগুলিতে।
আগামী কয়েকদিন পুর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে অর্থাৎ অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মেঘালয় এবং অন্ধ্রপ্রদেশে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। শিলাবৃষ্টির সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। পাশাপাশি, বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতেও।
ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে? তুমুল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়