
শেষ আপডেট: 4 December 2023 18:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডিসেম্বরের শহরে উধাও হয়ে গেছে শীত। সৌজন্যে মিগজাউম। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ইতিমধ্যেই তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে চেন্নাই থেকে ৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থান করছে এটি। তার প্রভাবে ইতিমধ্যেই তাণ্ডব শুরু হয়ে গেছে চেন্নাই সহ তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল এলাকায়। ধীরে ধীরে গতি বাড়িয়ে উত্তরের দিকে এগিয়ে নেলোর এবং মছলিপত্তনম পেরোবে ঘূর্ণিঝড়টি। তবে ল্যান্ডফল হবে ৫ তারিখ, অর্থাৎ মঙ্গলবার।
মঙ্গলবার ল্যান্ডফলের সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার। তবে দমকা হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে। অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ার পর ক্রমশ শক্তি হারাবে ঘূর্ণিঝড়টি। ফলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে না বাংলায়। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, ল্যান্ডফলের পর ঘূর্ণিঝড় ধীর গতিতে এগোতে থাকবে, তার ফলে বাংলায় মেঘলা আকাশ থাকবে। মেঘাচ্ছন্ন আকাশের কারণে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমছে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একই থাকবে।
আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের কয়েক জায়গায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। মূলত পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে ৫ তারিখ বৃষ্টি পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমানে খুব হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। মূলত মেঘলা আকাশ থাকবে। ৬ তারিখ ঘূণিঝড়ের সিস্টেম যখন দুর্বল হয়ে এগোতে শুরু করবে, তখন দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বাকিগুলোতে জেলাগুলোতে হালকা বৃষ্টি হলেও হতে পারে। ৭ তারিখেও উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে বৃষ্টিপাত হতে পারে।
এই মুহূর্তে ঝোড়ো হাওয়া কিংবা কোনও দুর্যোগের সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। তবে এই অসময়ের বৃষ্টির ফলে চাষের উপরে কিছুটা প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে আলু চাষ ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। এই মুহূর্তে মৎস্যজীবীদের জন্য কোনও সতর্কবার্তা নেই। ৭ তারিখের আগে তাপমাত্রায় কোনও বড় পরিবর্তন নেই। দক্ষিণবঙ্গে ৮ তারিখ থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমতে পারে কিন্তু সর্বোচ্চ তাপমাত্রার বিশেষ কোনও পরিবর্তন থাকবে না।